আগামী বছরের মধ্যেই বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) চলমান খাল খনন কর্মসূচি শেষ হবে বলে জানিয়েছেন কৃষি ও মৎস্য-প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় ১১৮টি নতুন জাতের ধান কৃষকের হাতে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
কৃষি ও মৎস্য-প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন বলেছেন, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) অধীনে চলমান খাল খনন কর্মসূচি আগামী বছর নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন হবে। এ লক্ষ্য অর্জনে সংশ্লিষ্ট সব বিভাগকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং তারা নিজ নিজ দায়িত্ব অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছে।
শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে কুমিল্লা সার্কিট হাউসে কৃষি ও মৎস্য-প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কুমিল্লা অঞ্চলের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বন্যা ও উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষকরা যাতে কম ক্ষতির মুখে পড়েন, সে লক্ষ্যেই ১১৮টি নতুন জাতের ধানের বীজ সরবরাহের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রথম ধাপে কৃষকদের মধ্যে ৩০ টন বীজ বিতরণ করা হবে।
তিনি বলেন, উপকূলীয় এলাকার জন্য লবণাক্ততা-সহনশীল নতুন ধানের জাত উদ্ভাবনের কাজও এগিয়ে চলছে। এ বিষয়ে কৃষি বিজ্ঞানীরা গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন। ভবিষ্যতেও আরও সহনশীল ও উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত উদ্ভাবনে কাজ চলবে।
সভায় কুমিল্লার জেলা প্রশাসক রোজি আক্তারসহ কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬
আগামী বছরের মধ্যেই বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) চলমান খাল খনন কর্মসূচি শেষ হবে বলে জানিয়েছেন কৃষি ও মৎস্য-প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় ১১৮টি নতুন জাতের ধান কৃষকের হাতে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
কৃষি ও মৎস্য-প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন বলেছেন, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) অধীনে চলমান খাল খনন কর্মসূচি আগামী বছর নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন হবে। এ লক্ষ্য অর্জনে সংশ্লিষ্ট সব বিভাগকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং তারা নিজ নিজ দায়িত্ব অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছে।
শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে কুমিল্লা সার্কিট হাউসে কৃষি ও মৎস্য-প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কুমিল্লা অঞ্চলের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বন্যা ও উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষকরা যাতে কম ক্ষতির মুখে পড়েন, সে লক্ষ্যেই ১১৮টি নতুন জাতের ধানের বীজ সরবরাহের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রথম ধাপে কৃষকদের মধ্যে ৩০ টন বীজ বিতরণ করা হবে।
তিনি বলেন, উপকূলীয় এলাকার জন্য লবণাক্ততা-সহনশীল নতুন ধানের জাত উদ্ভাবনের কাজও এগিয়ে চলছে। এ বিষয়ে কৃষি বিজ্ঞানীরা গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন। ভবিষ্যতেও আরও সহনশীল ও উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত উদ্ভাবনে কাজ চলবে।
সভায় কুমিল্লার জেলা প্রশাসক রোজি আক্তারসহ কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন