ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলায় দুই শিশুর লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিরোধ ভয়াবহ সংঘর্ষে রূপ নিয়েছে। এ ঘটনায় হামদু মিয়া (৫৩) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার (১ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার হরষপুর ইউনিয়নের বাগদিয়া গ্রামের বন্দের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার বিকেলে হামদু মিয়ার ছেলে নিরব (১১) এবং একই গ্রামের আবুল ইসলামের ছেলে ইয়াসিন (১২) লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে মারামারি শুরু হলে পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে হামদু মিয়ার লাঠির আঘাতে ইয়াসিনের মাথায় আঘাত লাগে বলে অভিযোগ ওঠে।
এ ঘটনার জেরে শনিবার সকালে আবুল ইসলামের নেতৃত্বে একদল লোক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামদু মিয়ার বাড়িতে হামলা চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে হামদু মিয়া ঘটনাস্থলেই নিহত হন। গুরুতর আহত হয় তার আট বছর বয়সী ছেলে হাসান।
এ ছাড়া সংঘর্ষে লিটন মিয়া (৩৫), এরশাদ (৪০), রেজু বেগম, ফারুক মিয়া, ইসলাম মিয়াসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন। তাদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসান উল্লাহ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে এবং বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলায় দুই শিশুর লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিরোধ ভয়াবহ সংঘর্ষে রূপ নিয়েছে। এ ঘটনায় হামদু মিয়া (৫৩) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার (১ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার হরষপুর ইউনিয়নের বাগদিয়া গ্রামের বন্দের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার বিকেলে হামদু মিয়ার ছেলে নিরব (১১) এবং একই গ্রামের আবুল ইসলামের ছেলে ইয়াসিন (১২) লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে মারামারি শুরু হলে পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে হামদু মিয়ার লাঠির আঘাতে ইয়াসিনের মাথায় আঘাত লাগে বলে অভিযোগ ওঠে।
এ ঘটনার জেরে শনিবার সকালে আবুল ইসলামের নেতৃত্বে একদল লোক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামদু মিয়ার বাড়িতে হামলা চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে হামদু মিয়া ঘটনাস্থলেই নিহত হন। গুরুতর আহত হয় তার আট বছর বয়সী ছেলে হাসান।
এ ছাড়া সংঘর্ষে লিটন মিয়া (৩৫), এরশাদ (৪০), রেজু বেগম, ফারুক মিয়া, ইসলাম মিয়াসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন। তাদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসান উল্লাহ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে এবং বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন