কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চল ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রামে আনন্দের আবহ বিরাজ করছে। মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পরিবারের কল্যাণে কাজ করা দেশের অন্যতম রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট-এর ট্রাস্টি বোর্ড ও নির্বাহী কমিটি পুনর্গঠনের পর কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রবীণ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমানকে ট্রাস্টি এবং নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।
এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ পরিবারের সদস্য, রাজনৈতিক নেতাকর্মী এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা সন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁদের অনেকেই এটিকে শুধু একজন ব্যক্তির অর্জন নয়, বরং সমগ্র হাওরাঞ্চলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি হিসেবে দেখছেন।
সম্প্রতি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি বোর্ড ও নির্বাহী কমিটি পুনর্গঠন করা হয়। পুনর্গঠিত এ কমিটি মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণ, চিকিৎসা, শিক্ষা, আবাসন এবং শহীদ পরিবারের পুনর্বাসনসহ বিভিন্ন বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভূমিকা রাখবে।
মুক্তিযুদ্ধের সময় ছাত্রনেতা হিসেবে অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। স্বাধীনতার পর আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ হিসেবে দীর্ঘ সময় ধরে দায়িত্ব পালন করেছেন। সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-৪ আসন থেকে নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা রক্ষা এবং হাওরাঞ্চলের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার বিষয়ে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছিলেন।
মনোনয়নের খবরে ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে শুভেচ্ছা বিনিময়, মিষ্টি বিতরণ এবং আনন্দ মিছিলের আয়োজন করা হয়। স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, সমাজকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ আশা প্রকাশ করেন, ট্রাস্টে তাঁর অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারগুলো আরও কার্যকর সেবা ও সুযোগ-সুবিধা পাবেন।
স্থানীয়দের মতে, দুর্গম হাওরাঞ্চলের মুক্তিযোদ্ধাদের নানা সমস্যা জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরার ক্ষেত্রে এই দায়িত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে ট্রাস্টের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে বলেও তাঁদের প্রত্যাশা।
প্রতিক্রিয়ায় অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান বলেন, এই দায়িত্ব তিনি ব্যক্তিগত সম্মান হিসেবে নয়, বরং বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সেবার একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করেছেন। তিনি বলেন, দেশের মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার চেষ্টা করবেন।
হাওরাঞ্চলের মানুষের বিশ্বাস, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি বোর্ড ও নির্বাহী কমিটিতে অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমানের অন্তর্ভুক্তি মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পরিবারের কল্যাণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে এবং এ অঞ্চলের মানুষের প্রত্যাশা পূরণে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।
এস.আর

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চল ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রামে আনন্দের আবহ বিরাজ করছে। মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পরিবারের কল্যাণে কাজ করা দেশের অন্যতম রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট-এর ট্রাস্টি বোর্ড ও নির্বাহী কমিটি পুনর্গঠনের পর কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রবীণ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমানকে ট্রাস্টি এবং নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।
এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ পরিবারের সদস্য, রাজনৈতিক নেতাকর্মী এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা সন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁদের অনেকেই এটিকে শুধু একজন ব্যক্তির অর্জন নয়, বরং সমগ্র হাওরাঞ্চলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি হিসেবে দেখছেন।
সম্প্রতি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি বোর্ড ও নির্বাহী কমিটি পুনর্গঠন করা হয়। পুনর্গঠিত এ কমিটি মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণ, চিকিৎসা, শিক্ষা, আবাসন এবং শহীদ পরিবারের পুনর্বাসনসহ বিভিন্ন বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভূমিকা রাখবে।
মুক্তিযুদ্ধের সময় ছাত্রনেতা হিসেবে অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। স্বাধীনতার পর আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ হিসেবে দীর্ঘ সময় ধরে দায়িত্ব পালন করেছেন। সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-৪ আসন থেকে নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা রক্ষা এবং হাওরাঞ্চলের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার বিষয়ে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছিলেন।
মনোনয়নের খবরে ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে শুভেচ্ছা বিনিময়, মিষ্টি বিতরণ এবং আনন্দ মিছিলের আয়োজন করা হয়। স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, সমাজকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ আশা প্রকাশ করেন, ট্রাস্টে তাঁর অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারগুলো আরও কার্যকর সেবা ও সুযোগ-সুবিধা পাবেন।
স্থানীয়দের মতে, দুর্গম হাওরাঞ্চলের মুক্তিযোদ্ধাদের নানা সমস্যা জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরার ক্ষেত্রে এই দায়িত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে ট্রাস্টের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে বলেও তাঁদের প্রত্যাশা।
প্রতিক্রিয়ায় অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান বলেন, এই দায়িত্ব তিনি ব্যক্তিগত সম্মান হিসেবে নয়, বরং বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সেবার একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করেছেন। তিনি বলেন, দেশের মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার চেষ্টা করবেন।
হাওরাঞ্চলের মানুষের বিশ্বাস, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি বোর্ড ও নির্বাহী কমিটিতে অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমানের অন্তর্ভুক্তি মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পরিবারের কল্যাণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে এবং এ অঞ্চলের মানুষের প্রত্যাশা পূরণে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন