ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

কটিয়াদীতে কাঁচা মরিচের কেজি ৪০০ টাকা , দিশেহারা সাধারণ মানুষ ‎


কটিয়াদী(কিশোরগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ
কটিয়াদী(কিশোরগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ
প্রকাশ : ২৯ জুলাই ২০২৬

কটিয়াদীতে কাঁচা মরিচের কেজি ৪০০ টাকা , দিশেহারা সাধারণ মানুষ ‎

কয়েক দিনের টানা বর্ষণ ও বৈরী আবহাওয়া লাফিয়ে বাড়ছে কাঁচা সবিজর দাম। বিশেষ করে কাঁচা মরিচের দাম বেড়েছে কয়েক গুণ।


‎বৃষ্টির পানিতে মরিচ খেত তলিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি পরিবহন সংকটের অজুহাতে হঠাৎ করেই হু-হু করে বেড়েছে কাঁচা মরিচের দাম। বাজারভেদে কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে চড়া মূল্যে, যা একদম সাধারণ ও নিম্নআয়ের মানুষের সাধ্যের বাইরে চলে গেছে। হঠাৎ করে সবজির মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষ।


কটিয়াদী বাজারসহ কয়েকটি খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে দেখা গেছে, সপ্তাহখানেক আগেও যেখানে কাঁচা মরিচ সাধারণ দামে বিক্রি হতো, সেখানে এখন দামে দ্বিগুণ থেকে তিন গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানভেদে কাঁচা মরিচের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৮০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত! হুট করে মরিচের এমন আকাশছোঁয়া দামে বাজারে এসে মাথায় হাত পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।



বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি বেগুন ১০০ টাকা, পেঁয়াজ ৬০ টাকা, করলা ১০০ টাকা, কচুর লতি ৮০ টাকা, ঝিংঙ্গা ৬০ টাকা, পটল ৭০ টাকা, কাঁকরোল ৮০ টাকা, ঢেঁড়স ৮০ টাকা, আলু ২৫ টাকা, কচু ৬০ টাকা, শশা ৮০ টাকা, পেপে ৩০ টাকা, আদা ১৬০ টাকা, রসুন ৮০ টাকা, প্রতিটি লাউ বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। এবং কাঁচা মরিচ ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। 


কাঁচাবাজারে আসা কয়েকজন ক্রেতা জানান, কয়েক দিনের ব্যবধানে সবজির দাম অনেক বেড়ে গেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পাশাপাশি সবজির দামও বৃদ্ধি পাওয়ায় সংসারের খরচ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তারা দ্রুত বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।


সবজি বিক্রেতারা জানান, অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে কৃষকরা ঠিকমতো জমি থেকে সবজি তুলতে পারছেন না। অনেক জমি বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে বাজারে সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম কিছুটা বেড়েছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে এবং সরবরাহ বাড়লে সবজির দামও কমে আসবে বলে তারা আশা করছেন।


সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বাজার করতে আসা সরকারি চাকরিজীবী বলেন,, বর্ষাকালে প্রতি বছরই সবজির বাজারে এমন অস্থিরতা দেখা যায়। তবে এবার কাঁচা মরিচসহ বেশ কয়েকটি সবজির দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বেড়েছে। বাজার তদারকি জোরদার এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনকে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান তিনি।



কটিয়াদী বাজারের সবজি বিক্রেতা কাঞ্চন মিয়া বলেন,সবজির দাম কমই যাচ্ছিল,কিন্তু গেল কয়েক দিনের বৃষ্টির কারণে সব ধরনের সবজির দাম বেড়েছে।দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বৃষ্টির কারণে ঢাকায় সবজি কম আসছে। সব মিলিয়ে বাজারে সবজির দাম বেড়েছে। ‌বৃষ্টি চলমান থাকাকালীন সময়ে সবজির দাম বাড়তিই যাবে। আবহাওয়া ভালো হওয়ার পর থেকে সবজির দাম কমে আসবে।



বাজারসংশ্লিষ্টরা মনে করছেন,শুধু বৃষ্টি বা আবহাওয়ার অজুহাত দিয়ে পণ্যের দাম কৃত্রিমভাবে বাড়ানো হচ্ছে কি না তা খতিয়ে দেখা জরুরি। বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পরিবহন ও সরবরাহব্যবস্থা সচল রাখার পাশাপাশি পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে নিয়মিত সরকারি তদারকি বাড়ানো দরকার।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


কটিয়াদীতে কাঁচা মরিচের কেজি ৪০০ টাকা , দিশেহারা সাধারণ মানুষ ‎

প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬

featured Image

কয়েক দিনের টানা বর্ষণ ও বৈরী আবহাওয়া লাফিয়ে বাড়ছে কাঁচা সবিজর দাম। বিশেষ করে কাঁচা মরিচের দাম বেড়েছে কয়েক গুণ।


‎বৃষ্টির পানিতে মরিচ খেত তলিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি পরিবহন সংকটের অজুহাতে হঠাৎ করেই হু-হু করে বেড়েছে কাঁচা মরিচের দাম। বাজারভেদে কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে চড়া মূল্যে, যা একদম সাধারণ ও নিম্নআয়ের মানুষের সাধ্যের বাইরে চলে গেছে। হঠাৎ করে সবজির মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষ।


কটিয়াদী বাজারসহ কয়েকটি খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে দেখা গেছে, সপ্তাহখানেক আগেও যেখানে কাঁচা মরিচ সাধারণ দামে বিক্রি হতো, সেখানে এখন দামে দ্বিগুণ থেকে তিন গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানভেদে কাঁচা মরিচের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৮০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত! হুট করে মরিচের এমন আকাশছোঁয়া দামে বাজারে এসে মাথায় হাত পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।



বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি বেগুন ১০০ টাকা, পেঁয়াজ ৬০ টাকা, করলা ১০০ টাকা, কচুর লতি ৮০ টাকা, ঝিংঙ্গা ৬০ টাকা, পটল ৭০ টাকা, কাঁকরোল ৮০ টাকা, ঢেঁড়স ৮০ টাকা, আলু ২৫ টাকা, কচু ৬০ টাকা, শশা ৮০ টাকা, পেপে ৩০ টাকা, আদা ১৬০ টাকা, রসুন ৮০ টাকা, প্রতিটি লাউ বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। এবং কাঁচা মরিচ ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। 


কাঁচাবাজারে আসা কয়েকজন ক্রেতা জানান, কয়েক দিনের ব্যবধানে সবজির দাম অনেক বেড়ে গেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পাশাপাশি সবজির দামও বৃদ্ধি পাওয়ায় সংসারের খরচ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তারা দ্রুত বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।


সবজি বিক্রেতারা জানান, অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে কৃষকরা ঠিকমতো জমি থেকে সবজি তুলতে পারছেন না। অনেক জমি বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে বাজারে সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম কিছুটা বেড়েছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে এবং সরবরাহ বাড়লে সবজির দামও কমে আসবে বলে তারা আশা করছেন।


সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বাজার করতে আসা সরকারি চাকরিজীবী বলেন,, বর্ষাকালে প্রতি বছরই সবজির বাজারে এমন অস্থিরতা দেখা যায়। তবে এবার কাঁচা মরিচসহ বেশ কয়েকটি সবজির দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বেড়েছে। বাজার তদারকি জোরদার এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনকে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান তিনি।



কটিয়াদী বাজারের সবজি বিক্রেতা কাঞ্চন মিয়া বলেন,সবজির দাম কমই যাচ্ছিল,কিন্তু গেল কয়েক দিনের বৃষ্টির কারণে সব ধরনের সবজির দাম বেড়েছে।দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বৃষ্টির কারণে ঢাকায় সবজি কম আসছে। সব মিলিয়ে বাজারে সবজির দাম বেড়েছে। ‌বৃষ্টি চলমান থাকাকালীন সময়ে সবজির দাম বাড়তিই যাবে। আবহাওয়া ভালো হওয়ার পর থেকে সবজির দাম কমে আসবে।



বাজারসংশ্লিষ্টরা মনে করছেন,শুধু বৃষ্টি বা আবহাওয়ার অজুহাত দিয়ে পণ্যের দাম কৃত্রিমভাবে বাড়ানো হচ্ছে কি না তা খতিয়ে দেখা জরুরি। বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পরিবহন ও সরবরাহব্যবস্থা সচল রাখার পাশাপাশি পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে নিয়মিত সরকারি তদারকি বাড়ানো দরকার।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ