সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের গ্রেফতার, তদন্ত ও বিচারের দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন ইসলামী ব্যাংকের একদল গ্রাহক। বুধবার (২৯ জুলাই) 'সচেতন গ্রাহক ফোরাম'-এর ব্যানারে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে তারা ব্যাংক খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং আর্থিক অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিচারের দাবি জানান।
বেলা সাড়ে ১১টায় মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। পরে পল্টনে গিয়ে সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠীর মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ পরিবর্তনের পর প্রতিষ্ঠানটির সুশাসন, আর্থিক স্থিতিশীলতা এবং গ্রাহকদের স্বার্থ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাদের দাবি, শেয়ার কেলেঙ্কারি, ব্যাংক দখল এবং আর্থিক অনিয়মের ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে দেশের ব্যাংকিং খাতে জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে না।
বিক্ষোভকারীরা সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে উত্থাপিত দুর্নীতির অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের পাশাপাশি তাকে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানান। তারা বলেন, অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায় ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
সমাবেশে সচেতন গ্রাহক ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক নুরুন্নবী মানিক বলেন, সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালনকালে কিছু সাংবিধানিক সুরক্ষা ভোগ করলেও রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগের কর্মকাণ্ড সেই সুরক্ষার আওতায় পড়ে না। তার দাবি, ২০১৭ সালে ইসলামী ব্যাংকের দায়িত্ব পালনের সময় সংঘটিত বলে অভিযোগ থাকা শেয়ার কেলেঙ্কারি ও আর্থিক অনিয়মের বিষয়ে তদন্ত, মামলা এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ রয়েছে। তাই অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত শেষে দোষী প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬
সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের গ্রেফতার, তদন্ত ও বিচারের দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন ইসলামী ব্যাংকের একদল গ্রাহক। বুধবার (২৯ জুলাই) 'সচেতন গ্রাহক ফোরাম'-এর ব্যানারে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে তারা ব্যাংক খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং আর্থিক অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিচারের দাবি জানান।
বেলা সাড়ে ১১টায় মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। পরে পল্টনে গিয়ে সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠীর মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ পরিবর্তনের পর প্রতিষ্ঠানটির সুশাসন, আর্থিক স্থিতিশীলতা এবং গ্রাহকদের স্বার্থ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাদের দাবি, শেয়ার কেলেঙ্কারি, ব্যাংক দখল এবং আর্থিক অনিয়মের ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে দেশের ব্যাংকিং খাতে জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে না।
বিক্ষোভকারীরা সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে উত্থাপিত দুর্নীতির অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের পাশাপাশি তাকে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানান। তারা বলেন, অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায় ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
সমাবেশে সচেতন গ্রাহক ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক নুরুন্নবী মানিক বলেন, সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালনকালে কিছু সাংবিধানিক সুরক্ষা ভোগ করলেও রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগের কর্মকাণ্ড সেই সুরক্ষার আওতায় পড়ে না। তার দাবি, ২০১৭ সালে ইসলামী ব্যাংকের দায়িত্ব পালনের সময় সংঘটিত বলে অভিযোগ থাকা শেয়ার কেলেঙ্কারি ও আর্থিক অনিয়মের বিষয়ে তদন্ত, মামলা এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ রয়েছে। তাই অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত শেষে দোষী প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন