বিয়ের আশ্বাস দিয়ে অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার নেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে ঢাকার এক গার্মেন্টস ব্যবসায়ী ও ফরিদপুরের এক তরুণীর মধ্যে সৃষ্ট বিরোধ মীমাংসার লক্ষ্যে ফরিদপুরে একটি শালিস বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে দীর্ঘ আলোচনার পরও কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন অভিযোগকারী। গত ১৬ জুলাই বিকেল ৩টায় ফরিদপুর জেলা জজকোর্ট পৌর মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য ও সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট অনিমেষ রায়ের চেম্বারে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থা, ফরিদপুর জেলা শাখার উদ্যোগে এ শালিস বৈঠকের আয়োজন করা হয়। অভিযোগকারী মোখলেছুর রহমান সুমন (৩৮) জানান, তিনি ঢাকার বিভিন্ন গার্মেন্টসের লট মালের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। তাঁর দাবি, ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মধুখালী উপজেলার ছকড়িকান্দী গ্রামের খাদিজা সুলতানার (২১) সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। পরে তাঁদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং বিয়ের আশ্বাসের ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে যায়। মোখলেছুর রহমানের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের এপ্রিল থেকে তাঁদের সরাসরি যোগাযোগ শুরু হয়। পরে ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত ঢাকার মিরপুর এলাকার একটি বাসায় তাঁরা একসঙ্গে বসবাস করেন। এ সময় খাদিজা সুলতানা বাবার চিকিৎসা ও নিজের পড়াশোনার খরচের কথা বলে বিভিন্ন সময়ে তাঁর কাছ থেকে প্রায় ৮ লাখ টাকা নেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এছাড়া বিয়ের গহনা তৈরির কথা বলে আরও প্রায় আড়াই লাখ টাকার স্বর্ণালঙ্কার গ্রহণের দাবিও করেন। বিরোধের নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে আয়োজিত শালিস বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট অনিমেষ রায়, অ্যাডভোকেট মমতা পাল, অ্যাডভোকেট রাশেদা আক্তার জেসমিন, অ্যাডভোকেট জামাদ হাওলাদার, অ্যাডভোকেট মো. জলিল চাঁন, অ্যাডভোকেট মো. আওয়াল সরদার এবং কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের বিএনপি নেতা মো. স্বপন। শালিস বৈঠক শেষে মোখলেছুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, বৈঠকে তাঁর দাবি যথাযথভাবে বিবেচনা করা হয়নি। তিনি দাবি করেন, যে অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার তিনি দিয়েছেন বলে অভিযোগ করছেন, সেগুলো ফেরত পাওয়ার বিষয়ে কোনো কার্যকর সিদ্ধান্ত হয়নি। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলোও তিনি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন। অন্যদিকে, এ বিষয়ে অভিযুক্ত খাদিজা সুলতানার বক্তব্য এই প্রতিবেদক সংগ্রহ করতে পারেননি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে। মোখলেছুর রহমান জানিয়েছেন, বিষয়টির আইনগত প্রতিকার চেয়ে তিনি পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এস.আর

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬
বিয়ের আশ্বাস দিয়ে অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার নেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে ঢাকার এক গার্মেন্টস ব্যবসায়ী ও ফরিদপুরের এক তরুণীর মধ্যে সৃষ্ট বিরোধ মীমাংসার লক্ষ্যে ফরিদপুরে একটি শালিস বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে দীর্ঘ আলোচনার পরও কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন অভিযোগকারী। গত ১৬ জুলাই বিকেল ৩টায় ফরিদপুর জেলা জজকোর্ট পৌর মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য ও সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট অনিমেষ রায়ের চেম্বারে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থা, ফরিদপুর জেলা শাখার উদ্যোগে এ শালিস বৈঠকের আয়োজন করা হয়। অভিযোগকারী মোখলেছুর রহমান সুমন (৩৮) জানান, তিনি ঢাকার বিভিন্ন গার্মেন্টসের লট মালের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। তাঁর দাবি, ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মধুখালী উপজেলার ছকড়িকান্দী গ্রামের খাদিজা সুলতানার (২১) সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। পরে তাঁদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং বিয়ের আশ্বাসের ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে যায়। মোখলেছুর রহমানের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের এপ্রিল থেকে তাঁদের সরাসরি যোগাযোগ শুরু হয়। পরে ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত ঢাকার মিরপুর এলাকার একটি বাসায় তাঁরা একসঙ্গে বসবাস করেন। এ সময় খাদিজা সুলতানা বাবার চিকিৎসা ও নিজের পড়াশোনার খরচের কথা বলে বিভিন্ন সময়ে তাঁর কাছ থেকে প্রায় ৮ লাখ টাকা নেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এছাড়া বিয়ের গহনা তৈরির কথা বলে আরও প্রায় আড়াই লাখ টাকার স্বর্ণালঙ্কার গ্রহণের দাবিও করেন। বিরোধের নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে আয়োজিত শালিস বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট অনিমেষ রায়, অ্যাডভোকেট মমতা পাল, অ্যাডভোকেট রাশেদা আক্তার জেসমিন, অ্যাডভোকেট জামাদ হাওলাদার, অ্যাডভোকেট মো. জলিল চাঁন, অ্যাডভোকেট মো. আওয়াল সরদার এবং কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের বিএনপি নেতা মো. স্বপন। শালিস বৈঠক শেষে মোখলেছুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, বৈঠকে তাঁর দাবি যথাযথভাবে বিবেচনা করা হয়নি। তিনি দাবি করেন, যে অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার তিনি দিয়েছেন বলে অভিযোগ করছেন, সেগুলো ফেরত পাওয়ার বিষয়ে কোনো কার্যকর সিদ্ধান্ত হয়নি। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলোও তিনি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন। অন্যদিকে, এ বিষয়ে অভিযুক্ত খাদিজা সুলতানার বক্তব্য এই প্রতিবেদক সংগ্রহ করতে পারেননি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে। মোখলেছুর রহমান জানিয়েছেন, বিষয়টির আইনগত প্রতিকার চেয়ে তিনি পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এস.আর

আপনার মতামত লিখুন