সেবামূলক কার্যক্রমের ১৮ বছর পূর্তি উপলক্ষে ১০ম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত করেছে গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশন (জিবিএসপিএফ)। সভায় ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের জন্য নতুন নির্বাহী পরিষদের নাম ঘোষণা করা হয়।
রাজধানীর গুলশান ক্লাবে গত ১৫ মে অনুষ্ঠিত এজিএমে পবিত্র গীতা পাঠের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। পরে সাধারণ সম্পাদক বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করলে তা সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়। একই সঙ্গে নিরীক্ষা (অডিট) প্রতিবেদনও সভায় উপস্থাপন ও অনুমোদন দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বিষয়ক বিশেষ সহকারী শ্রী বিজন কান্তি সরকার, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান শ্রী তপন চন্দ্র মজুমদার এবং প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ. বি. এম. আব্দুস সাত্তার।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ. বি. এম. আব্দুস সাত্তার বলেন, বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের সার্বিক কল্যাণে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি হিন্দু নাগরিকের শান্তি, নিরাপত্তা ও মর্যাদার সঙ্গে বসবাসের অধিকার রয়েছে এবং সেই অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে কাজ করছে।
সভার একপর্যায়ে নির্বাচন কমিশন ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের নতুন নির্বাহী পরিষদের নাম ঘোষণা করে। এতে শ্রী অলক সাহা সভাপতি, শ্রী বিনয় গোপাল রায় সাধারণ সম্পাদক এবং শ্রী অপূর্ব কুমার সাহা কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হন।
নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, সকলকে সঙ্গে নিয়ে ফাউন্ডেশনকে আরও আধুনিক, কার্যকর ও জনকল্যাণমুখী সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে তারা কাজ করবেন। পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কার্যক্রমের পরিধি আরও বিস্তৃত করার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন।
নতুন নির্বাহী পরিষদের সদস্যদের নিয়ে দলীয় ছবি তোলার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক পর্বের সমাপ্তি ঘটে। পরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নৈশভোজের আয়োজনের মধ্য দিয়ে ১০ম বার্ষিক সাধারণ সভার পর্দা নামে।
এস.আর

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬
সেবামূলক কার্যক্রমের ১৮ বছর পূর্তি উপলক্ষে ১০ম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত করেছে গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশন (জিবিএসপিএফ)। সভায় ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের জন্য নতুন নির্বাহী পরিষদের নাম ঘোষণা করা হয়।
রাজধানীর গুলশান ক্লাবে গত ১৫ মে অনুষ্ঠিত এজিএমে পবিত্র গীতা পাঠের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। পরে সাধারণ সম্পাদক বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করলে তা সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়। একই সঙ্গে নিরীক্ষা (অডিট) প্রতিবেদনও সভায় উপস্থাপন ও অনুমোদন দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বিষয়ক বিশেষ সহকারী শ্রী বিজন কান্তি সরকার, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান শ্রী তপন চন্দ্র মজুমদার এবং প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ. বি. এম. আব্দুস সাত্তার।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ. বি. এম. আব্দুস সাত্তার বলেন, বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের সার্বিক কল্যাণে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি হিন্দু নাগরিকের শান্তি, নিরাপত্তা ও মর্যাদার সঙ্গে বসবাসের অধিকার রয়েছে এবং সেই অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে কাজ করছে।
সভার একপর্যায়ে নির্বাচন কমিশন ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের নতুন নির্বাহী পরিষদের নাম ঘোষণা করে। এতে শ্রী অলক সাহা সভাপতি, শ্রী বিনয় গোপাল রায় সাধারণ সম্পাদক এবং শ্রী অপূর্ব কুমার সাহা কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হন।
নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, সকলকে সঙ্গে নিয়ে ফাউন্ডেশনকে আরও আধুনিক, কার্যকর ও জনকল্যাণমুখী সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে তারা কাজ করবেন। পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কার্যক্রমের পরিধি আরও বিস্তৃত করার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন।
নতুন নির্বাহী পরিষদের সদস্যদের নিয়ে দলীয় ছবি তোলার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক পর্বের সমাপ্তি ঘটে। পরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নৈশভোজের আয়োজনের মধ্য দিয়ে ১০ম বার্ষিক সাধারণ সভার পর্দা নামে।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন