ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার ঘারুয়া ইউনিয়নের চৌকিঘাটা উত্তরপাড়া ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি মুদি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্ত দোকানটির মালিক শাহ আলম জাবেদ মিয়া মাতুব্বর। তিনি মরহুম ইউসুফ মাতুব্বরের ছেলে এবং ঘারুয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা।
দোকান মালিক শাহ আলম জাবেদ মিয়া জানান, আগুনে দোকানে থাকা নগদ ৭২ হাজার টাকা, বিভিন্ন মুদি পণ্য ও অন্যান্য মালামালসহ আনুমানিক ১৫ থেকে ১৭ লাখ টাকার সম্পদ পুড়ে গেছে। স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলেও ততক্ষণে দোকানের অধিকাংশ মালামাল আগুনে ভস্মীভূত হয়ে যায়।
অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তবে স্থানীয়দের ধারণা, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট অথবা অন্য কোনো কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত কারণ নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী শাহ আলম জাবেদ মিয়া সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং সমাজের বিত্তবানদের কাছে আর্থিক সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের পরিশ্রমে গড়ে তোলা ব্যবসা মুহূর্তের মধ্যে আগুনে পুড়ে যাওয়ায় তিনি চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, দ্রুত প্রয়োজনীয় সহায়তা ও ক্ষয়ক্ষতির যথাযথ মূল্যায়নের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীর পাশে দাঁড়ানো জরুরি। বর্তমানে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের উদ্যোগের অপেক্ষায় রয়েছেন তারা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার ঘারুয়া ইউনিয়নের চৌকিঘাটা উত্তরপাড়া ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি মুদি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্ত দোকানটির মালিক শাহ আলম জাবেদ মিয়া মাতুব্বর। তিনি মরহুম ইউসুফ মাতুব্বরের ছেলে এবং ঘারুয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা।
দোকান মালিক শাহ আলম জাবেদ মিয়া জানান, আগুনে দোকানে থাকা নগদ ৭২ হাজার টাকা, বিভিন্ন মুদি পণ্য ও অন্যান্য মালামালসহ আনুমানিক ১৫ থেকে ১৭ লাখ টাকার সম্পদ পুড়ে গেছে। স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলেও ততক্ষণে দোকানের অধিকাংশ মালামাল আগুনে ভস্মীভূত হয়ে যায়।
অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তবে স্থানীয়দের ধারণা, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট অথবা অন্য কোনো কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত কারণ নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী শাহ আলম জাবেদ মিয়া সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং সমাজের বিত্তবানদের কাছে আর্থিক সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের পরিশ্রমে গড়ে তোলা ব্যবসা মুহূর্তের মধ্যে আগুনে পুড়ে যাওয়ায় তিনি চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, দ্রুত প্রয়োজনীয় সহায়তা ও ক্ষয়ক্ষতির যথাযথ মূল্যায়নের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীর পাশে দাঁড়ানো জরুরি। বর্তমানে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের উদ্যোগের অপেক্ষায় রয়েছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন