তীব্র আর্থিক সংকটের কারণে সুচিকিৎসার অভাবে ধুঁকে ধুঁকে দিন কাটাচ্ছেন নীলফামারীর মো. ওয়ালী উল্লাহ (মানিক)। গত ১২ জানুয়ারি ২০২৬ এক দুর্ঘটনায় তার ডান পা গুরুতরভাবে ভেঙে যায়। দীর্ঘ কয়েক মাস পার হলেও অর্থাভাবে চিকিৎসা সম্পন্ন করতে না পারায় তিনি স্থায়ীভাবে পঙ্গু হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন।
জানা গেছে, নীলফামারী সদর উপজেলার পূর্ব চাপড়া (ওয়ার্ড নং-০৯) এলাকার বাসিন্দা মো. ওয়ালী উল্লাহ মানিক (৫৩)। তিনি মো. আব্দুল মান্নানের ছেলে। দুর্ঘটনায় তার ডান পায়ের গোড়ালি ও পায়ের পাতার হাড় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
আহত মানিক অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের সদস্য। দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করার মতো আর্থিক সামর্থ্য তার বা তার পরিবারের নেই। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করাতে না পেরে তিনি দীর্ঘদিন ধরে শয্যাশায়ী। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলায় পুরো পরিবার এখন চরম খাদ্য ও অর্থসংকটে দিন কাটাচ্ছে।
মানিক সুস্থ হয়ে আবার কর্মজীবনে ফিরতে চান এবং পরিবারের ভরণপোষণের দায়িত্ব পালন করতে চান। কিন্তু প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যয় বহন করা তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।
এ অবস্থায় সমাজের বিত্তবান, দানশীল ব্যক্তি, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এবং জেলা প্রশাসনের প্রতি মানবিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। তার চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহযোগিতা করতে ইচ্ছুক ব্যক্তিরা বিকাশ/নগদ: ০১৯৬৭৫০৯৪২৫ নম্বরে যোগাযোগ বা সহায়তা পাঠাতে পারবেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৬
তীব্র আর্থিক সংকটের কারণে সুচিকিৎসার অভাবে ধুঁকে ধুঁকে দিন কাটাচ্ছেন নীলফামারীর মো. ওয়ালী উল্লাহ (মানিক)। গত ১২ জানুয়ারি ২০২৬ এক দুর্ঘটনায় তার ডান পা গুরুতরভাবে ভেঙে যায়। দীর্ঘ কয়েক মাস পার হলেও অর্থাভাবে চিকিৎসা সম্পন্ন করতে না পারায় তিনি স্থায়ীভাবে পঙ্গু হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন।
জানা গেছে, নীলফামারী সদর উপজেলার পূর্ব চাপড়া (ওয়ার্ড নং-০৯) এলাকার বাসিন্দা মো. ওয়ালী উল্লাহ মানিক (৫৩)। তিনি মো. আব্দুল মান্নানের ছেলে। দুর্ঘটনায় তার ডান পায়ের গোড়ালি ও পায়ের পাতার হাড় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
আহত মানিক অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের সদস্য। দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করার মতো আর্থিক সামর্থ্য তার বা তার পরিবারের নেই। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করাতে না পেরে তিনি দীর্ঘদিন ধরে শয্যাশায়ী। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলায় পুরো পরিবার এখন চরম খাদ্য ও অর্থসংকটে দিন কাটাচ্ছে।
মানিক সুস্থ হয়ে আবার কর্মজীবনে ফিরতে চান এবং পরিবারের ভরণপোষণের দায়িত্ব পালন করতে চান। কিন্তু প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যয় বহন করা তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।
এ অবস্থায় সমাজের বিত্তবান, দানশীল ব্যক্তি, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এবং জেলা প্রশাসনের প্রতি মানবিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। তার চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহযোগিতা করতে ইচ্ছুক ব্যক্তিরা বিকাশ/নগদ: ০১৯৬৭৫০৯৪২৫ নম্বরে যোগাযোগ বা সহায়তা পাঠাতে পারবেন।

আপনার মতামত লিখুন