গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার পৌর এলাকায় মাছের আড়তে অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ পিরানহা মাছ মজুদের চেষ্টার অভিযোগে ২ জনকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই ২০২৬) সকালে ত্রিশাল উপজেলার পৌর এলাকায় অবস্থিত মাছের আড়তে মজুদ ও বিক্রির উদ্দেশ্যে নিষিদ্ধ পিরানহা মাছ ভর্তি একটি পিক-আপ এসেছে এমন খবর পায় প্রশাসন।
তৎক্ষণাত উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সামসুজ্জামান মাসুমের সহায়তায় সেখানে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আরাফাত সিদ্দিকী।
অভিযানের সংবাদ পেয়ে দ্রুত কেটে পড়ে নিষিদ্ধ পিরানহা মাছ ভর্তি পিক-আপটি। পরে আড়তে জিজ্ঞাসাবাদ করলে রাখাল চন্দ্র দাস (৭০), পিতা- ছিন্দ চন্দ্র দাস, ৬ নং ওয়ার্ড, ত্রিশাল পৌরসভা ও আব্দুরাহ আল মামুন (৪৩), পিতা- রিয়াজ উদ্দিন, দরিরামপুর, ত্রিশাল পরিবহনকারী মাছের সাথে তাদের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে দোষ স্বীকার করেন।
অভিযুক্তদের দোষ স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে উভয়কে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে মৎস্য রক্ষা ও সংরক্ষণ আইন, ১৯৫০ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা করে মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।ত্রিশাল থানার পুলিশ সদস্যবৃন্দ এবং মোবাইল কোর্টের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।নিষিদ্

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার পৌর এলাকায় মাছের আড়তে অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ পিরানহা মাছ মজুদের চেষ্টার অভিযোগে ২ জনকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই ২০২৬) সকালে ত্রিশাল উপজেলার পৌর এলাকায় অবস্থিত মাছের আড়তে মজুদ ও বিক্রির উদ্দেশ্যে নিষিদ্ধ পিরানহা মাছ ভর্তি একটি পিক-আপ এসেছে এমন খবর পায় প্রশাসন।
তৎক্ষণাত উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সামসুজ্জামান মাসুমের সহায়তায় সেখানে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আরাফাত সিদ্দিকী।
অভিযানের সংবাদ পেয়ে দ্রুত কেটে পড়ে নিষিদ্ধ পিরানহা মাছ ভর্তি পিক-আপটি। পরে আড়তে জিজ্ঞাসাবাদ করলে রাখাল চন্দ্র দাস (৭০), পিতা- ছিন্দ চন্দ্র দাস, ৬ নং ওয়ার্ড, ত্রিশাল পৌরসভা ও আব্দুরাহ আল মামুন (৪৩), পিতা- রিয়াজ উদ্দিন, দরিরামপুর, ত্রিশাল পরিবহনকারী মাছের সাথে তাদের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে দোষ স্বীকার করেন।
অভিযুক্তদের দোষ স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে উভয়কে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে মৎস্য রক্ষা ও সংরক্ষণ আইন, ১৯৫০ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা করে মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।ত্রিশাল থানার পুলিশ সদস্যবৃন্দ এবং মোবাইল কোর্টের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।নিষিদ্

আপনার মতামত লিখুন