ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

প্রধানমন্ত্রীর সবুজ সংকেত পেলেই খুলবে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর


নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৪ জুলাই ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর সবুজ সংকেত পেলেই খুলবে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর
ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন ও সুবিধাজনক সময় মিললেই আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর। জাদুঘরের নির্মাণ ও সংস্কারকাজ এখন প্রায় শেষ পর্যায়ে। আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে নবগঠিত পরিচালনা পর্ষদের প্রথম সভায় জনবল নিয়োগের বিষয়টি চূড়ান্ত করা হবে বলে জানিয়েছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাজধানীর সচিবালয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী

সংবাদ সম্মেলনে সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব মিজ কানিজ মওলা উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থান এবং ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের স্মৃতি সংরক্ষণের লক্ষ্যেই এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটিকে আরও টেকসই ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সরকার প্রয়োজনীয় কাঠামোগত ও আইনি পরিমার্জনের কাজ এগিয়ে নিচ্ছে।

জাদুঘর উদ্বোধনে বিলম্বের কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি জানান, পরিচালনার জন্য ইতোমধ্যে একটি পরিচালনা পর্ষদ গঠন করা হয়েছে। তবে পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যক্রম চালাতে স্থায়ী জনবল কাঠামো ও অর্গানোগ্রাম প্রণয়ন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অনুমোদন এবং প্রয়োজনীয় বিধিমালা সংশোধনের কারণে কিছুটা সময় লেগেছে।

তিনি আরও বলেন, নির্মাণ ও সংস্কারকাজ প্রায় শেষ। পরিচালনা পর্ষদের প্রথম সভায় জনবল নিয়োগের বিষয়টি চূড়ান্ত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন নিয়ে দ্রুত জাদুঘরটি উদ্বোধন করা হবে।

এদিকে সংবাদ সম্মেলনে সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে ১৫ জুলাই থেকে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন সব প্রতিষ্ঠানে নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, প্রদর্শনী ও প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ১৫ জুলাই বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। ১৪ জুলাই মধ্যরাতের পর শিক্ষার্থীরা রাজপথে নেমে আসে এবং ১৫ জুলাই, বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনা ১৬ জুলাইয়ের আত্মত্যাগের পথকে আরও বেগবান করে। নতুন প্রজন্মের কাছে এসব ঐতিহাসিক ঘটনার তাৎপর্য তুলে ধরতে এবং কর্মসূচিগুলো মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।



এস.আর 

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


প্রধানমন্ত্রীর সবুজ সংকেত পেলেই খুলবে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর

প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬

featured Image

প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন ও সুবিধাজনক সময় মিললেই আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর। জাদুঘরের নির্মাণ ও সংস্কারকাজ এখন প্রায় শেষ পর্যায়ে। আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে নবগঠিত পরিচালনা পর্ষদের প্রথম সভায় জনবল নিয়োগের বিষয়টি চূড়ান্ত করা হবে বলে জানিয়েছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাজধানীর সচিবালয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী

সংবাদ সম্মেলনে সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব মিজ কানিজ মওলা উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থান এবং ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের স্মৃতি সংরক্ষণের লক্ষ্যেই এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটিকে আরও টেকসই ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সরকার প্রয়োজনীয় কাঠামোগত ও আইনি পরিমার্জনের কাজ এগিয়ে নিচ্ছে।

জাদুঘর উদ্বোধনে বিলম্বের কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি জানান, পরিচালনার জন্য ইতোমধ্যে একটি পরিচালনা পর্ষদ গঠন করা হয়েছে। তবে পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যক্রম চালাতে স্থায়ী জনবল কাঠামো ও অর্গানোগ্রাম প্রণয়ন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অনুমোদন এবং প্রয়োজনীয় বিধিমালা সংশোধনের কারণে কিছুটা সময় লেগেছে।

তিনি আরও বলেন, নির্মাণ ও সংস্কারকাজ প্রায় শেষ। পরিচালনা পর্ষদের প্রথম সভায় জনবল নিয়োগের বিষয়টি চূড়ান্ত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন নিয়ে দ্রুত জাদুঘরটি উদ্বোধন করা হবে।

এদিকে সংবাদ সম্মেলনে সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে ১৫ জুলাই থেকে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন সব প্রতিষ্ঠানে নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, প্রদর্শনী ও প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ১৫ জুলাই বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। ১৪ জুলাই মধ্যরাতের পর শিক্ষার্থীরা রাজপথে নেমে আসে এবং ১৫ জুলাই, বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনা ১৬ জুলাইয়ের আত্মত্যাগের পথকে আরও বেগবান করে। নতুন প্রজন্মের কাছে এসব ঐতিহাসিক ঘটনার তাৎপর্য তুলে ধরতে এবং কর্মসূচিগুলো মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।



এস.আর 


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ