জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে ইউরোপীয় পার্টনারশিপ ফর ডেমোক্রেসির (ইপিডি) একটি প্রতিনিধি দল। সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের বিকাশ, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জাতীয় সংসদকে আরও কার্যকর ও প্রাণবন্ত করার নানা বিষয় নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে মতবিনিময় হয়।
রোববার (১২ জুলাই) চিফ হুইপের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে ইপিডির প্রতিনিধি দলে নেতৃত্ব দেন সংস্থাটির ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক থেইস বারম্যান। প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন প্রকল্প পরিচালক আনাস্তাসিয়া এস. উইবাওয়া।
বৈঠকে চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বলেন, একটি দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির প্রধান ভিত্তি হলো গণতন্ত্র। গণতন্ত্র যত শক্তিশালী হবে, জনগণের অধিকার তত বেশি সুরক্ষিত হবে এবং রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোও তত কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারবে।
তিনি আরও বলেন, জাতীয় সংসদই গণতন্ত্রের প্রাণকেন্দ্র। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংসদ নেতা, বিরোধীদলীয় নেতা, ডেপুটি স্পিকারসহ অধিকাংশ সংসদ সদস্য প্রথমবারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন। তাই সংসদকে আরও কার্যকর ও গতিশীল করতে সংবিধান, কার্যপ্রণালী বিধি এবং সংসদীয় রীতি-নীতি সম্পর্কে সদস্যদের পর্যাপ্ত জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এ সময় ইপিডির ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক থেইস বারম্যান বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে একটি ইতিবাচক গণতান্ত্রিক পরিবেশ রয়েছে। জাতীয় সংসদের কার্যক্রম আরও ফলপ্রসূ করতে এবং সংসদ সদস্যদের সক্ষমতা বাড়াতে ইপিডি প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে আগ্রহী। পাশাপাশি বর্তমান সংসদকে আরও কার্যকর ও গতিশীল করতে চিফ হুইপের ভূমিকারও প্রশংসা করেন তিনি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬
জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে ইউরোপীয় পার্টনারশিপ ফর ডেমোক্রেসির (ইপিডি) একটি প্রতিনিধি দল। সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের বিকাশ, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জাতীয় সংসদকে আরও কার্যকর ও প্রাণবন্ত করার নানা বিষয় নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে মতবিনিময় হয়।
রোববার (১২ জুলাই) চিফ হুইপের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে ইপিডির প্রতিনিধি দলে নেতৃত্ব দেন সংস্থাটির ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক থেইস বারম্যান। প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন প্রকল্প পরিচালক আনাস্তাসিয়া এস. উইবাওয়া।
বৈঠকে চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বলেন, একটি দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির প্রধান ভিত্তি হলো গণতন্ত্র। গণতন্ত্র যত শক্তিশালী হবে, জনগণের অধিকার তত বেশি সুরক্ষিত হবে এবং রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোও তত কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারবে।
তিনি আরও বলেন, জাতীয় সংসদই গণতন্ত্রের প্রাণকেন্দ্র। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংসদ নেতা, বিরোধীদলীয় নেতা, ডেপুটি স্পিকারসহ অধিকাংশ সংসদ সদস্য প্রথমবারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন। তাই সংসদকে আরও কার্যকর ও গতিশীল করতে সংবিধান, কার্যপ্রণালী বিধি এবং সংসদীয় রীতি-নীতি সম্পর্কে সদস্যদের পর্যাপ্ত জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এ সময় ইপিডির ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক থেইস বারম্যান বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে একটি ইতিবাচক গণতান্ত্রিক পরিবেশ রয়েছে। জাতীয় সংসদের কার্যক্রম আরও ফলপ্রসূ করতে এবং সংসদ সদস্যদের সক্ষমতা বাড়াতে ইপিডি প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে আগ্রহী। পাশাপাশি বর্তমান সংসদকে আরও কার্যকর ও গতিশীল করতে চিফ হুইপের ভূমিকারও প্রশংসা করেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন