টানা ছয় থেকে সাত দিনের ভারী বর্ষণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত কক্সবাজার সদর ও রামু উপজেলার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক| এ সময় তিনি পানিবন্দি মানুষের খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন| শুক্রবার (১০ জুলাই ২০২৬) জেলা প্রশাসক কক্সবাজার সদর উপজেলার মধ্যম মুহুরীপাড়া এবং রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের গনি সওদাগর পাড়াসহ কয়েকটি জলাবদ্ধ এলাকা পরিদর্শন করেন| পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য স্থাপিত তিনটি জরুরি আশ্রয়কেন্দ্রও ঘুরে দেখেন| পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক পানিবন্দি পরিবারগুলোর সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে তাদের দুর্ভোগ, প্রয়োজন ও বিভিন্ন সমস্যার বিষয়ে খোঁজ নেন| তিনি জানান, জেলার সব সুইচগেট পানি দ্রুত নিষ্কাশনের সুবিধার্থে খুলে দেওয়া হয়েছে| এছাড়া সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ৬৪০টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে| তিনি আরও বলেন, প্রতিটি উপজেলায় পর্যাপ্ত ত্রাণসামগ্রী মজুদ রয়েছে| উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কাছে দ্রুত ত্রাণ পৌঁছে দিতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালানো হচ্ছে| একই সঙ্গে দুর্গত মানুষের সহায়তায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ সার্বক্ষণিক চালু রয়েছে| পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক পানিবন্দি ও অসহায় পরিবারের সদস্যদের হাতে ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন এবং দুর্যোগকালীন সময়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস দেন| এ সময় কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন|

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬
টানা ছয় থেকে সাত দিনের ভারী বর্ষণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত কক্সবাজার সদর ও রামু উপজেলার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক| এ সময় তিনি পানিবন্দি মানুষের খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন| শুক্রবার (১০ জুলাই ২০২৬) জেলা প্রশাসক কক্সবাজার সদর উপজেলার মধ্যম মুহুরীপাড়া এবং রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের গনি সওদাগর পাড়াসহ কয়েকটি জলাবদ্ধ এলাকা পরিদর্শন করেন| পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য স্থাপিত তিনটি জরুরি আশ্রয়কেন্দ্রও ঘুরে দেখেন| পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক পানিবন্দি পরিবারগুলোর সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে তাদের দুর্ভোগ, প্রয়োজন ও বিভিন্ন সমস্যার বিষয়ে খোঁজ নেন| তিনি জানান, জেলার সব সুইচগেট পানি দ্রুত নিষ্কাশনের সুবিধার্থে খুলে দেওয়া হয়েছে| এছাড়া সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ৬৪০টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে| তিনি আরও বলেন, প্রতিটি উপজেলায় পর্যাপ্ত ত্রাণসামগ্রী মজুদ রয়েছে| উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কাছে দ্রুত ত্রাণ পৌঁছে দিতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালানো হচ্ছে| একই সঙ্গে দুর্গত মানুষের সহায়তায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ সার্বক্ষণিক চালু রয়েছে| পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক পানিবন্দি ও অসহায় পরিবারের সদস্যদের হাতে ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন এবং দুর্যোগকালীন সময়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস দেন| এ সময় কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন|

আপনার মতামত লিখুন