ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়ের নাম ও পরিচয় ব্যবহার করে একটি প্রতারক চক্র দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের মসজিদের ইমাম, খতিব, মুয়াজ্জিন এবং মসজিদ পরিচালনা কমিটির সদস্যদের টার্গেট করছে। বিষয়টি প্রতিষ্ঠানের নজরে আসার পর সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
জানা গেছে, প্রতারকরা টেলিফোন, মোবাইল ফোন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে নিজেদের ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে ব্যক্তিগত ও আর্থিক তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছে। তারা ব্যাংক হিসাব নম্বর, মোবাইল ব্যাংকিং নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য, মোবাইল নম্বর, মসজিদের বেতন-ভাতা সংক্রান্ত তথ্যসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে চাইছে।
এ বিষয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশন স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, প্রধান কার্যালয় কিংবা কোনো জেলা বা উপজেলা কার্যালয় কখনোই অননুমোদিত ব্যক্তি বা অপরিচিত নম্বরের মাধ্যমে এ ধরনের তথ্য সংগ্রহ করে না। এছাড়া সরকারি অনুদান, সম্মানী, ভাতা বা অন্য কোনো আর্থিক সুবিধার কথা বলে যদি কেউ ব্যাংক হিসাব, ওটিপি, পিন নম্বর বা মোবাইল ব্যাংকিং সংক্রান্ত তথ্য জানতে চায়, তাহলে সেটি প্রতারণারই অংশ বলে ধরে নেওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে দেশের সব ইমাম, খতিব, মুয়াজ্জিন, মসজিদ পরিচালনা কমিটির সদস্য এবং সংশ্লিষ্টদের প্রতি বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। অপরিচিত ব্যক্তি বা সন্দেহজনক ফোনকলের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তিগত বা আর্থিক তথ্য না দেওয়ার পাশাপাশি ব্যাংক হিসাব, মোবাইল ব্যাংকিং তথ্য, ওটিপি কিংবা পিন নম্বর কারও সঙ্গে শেয়ার না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের নাম ব্যবহার করে কেউ কোনো তথ্য বা অর্থ দাবি করলে তা সংশ্লিষ্ট জেলা বা উপজেলা কার্যালয়ের মাধ্যমে যাচাই করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
প্রতারণার কোনো চেষ্টা বা সন্দেহজনক যোগাযোগের ঘটনা ঘটলে দ্রুত নিকটস্থ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার আহ্বানও জানানো হয়েছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন বলেছে, দেশের মসজিদভিত্তিক কার্যক্রম, ইমাম প্রশিক্ষণ, ধর্মীয় শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে। এর সুনাম ক্ষুণ্ন করা এবং ধর্মপ্রাণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যেই একটি অসাধু চক্র এ ধরনের অপতৎপরতায় লিপ্ত হয়েছে। সবার সচেতনতা ও সহযোগিতাই এ ধরনের প্রতারণা প্রতিরোধে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়ের নাম ও পরিচয় ব্যবহার করে একটি প্রতারক চক্র দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের মসজিদের ইমাম, খতিব, মুয়াজ্জিন এবং মসজিদ পরিচালনা কমিটির সদস্যদের টার্গেট করছে। বিষয়টি প্রতিষ্ঠানের নজরে আসার পর সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
জানা গেছে, প্রতারকরা টেলিফোন, মোবাইল ফোন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে নিজেদের ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে ব্যক্তিগত ও আর্থিক তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছে। তারা ব্যাংক হিসাব নম্বর, মোবাইল ব্যাংকিং নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য, মোবাইল নম্বর, মসজিদের বেতন-ভাতা সংক্রান্ত তথ্যসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে চাইছে।
এ বিষয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশন স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, প্রধান কার্যালয় কিংবা কোনো জেলা বা উপজেলা কার্যালয় কখনোই অননুমোদিত ব্যক্তি বা অপরিচিত নম্বরের মাধ্যমে এ ধরনের তথ্য সংগ্রহ করে না। এছাড়া সরকারি অনুদান, সম্মানী, ভাতা বা অন্য কোনো আর্থিক সুবিধার কথা বলে যদি কেউ ব্যাংক হিসাব, ওটিপি, পিন নম্বর বা মোবাইল ব্যাংকিং সংক্রান্ত তথ্য জানতে চায়, তাহলে সেটি প্রতারণারই অংশ বলে ধরে নেওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে দেশের সব ইমাম, খতিব, মুয়াজ্জিন, মসজিদ পরিচালনা কমিটির সদস্য এবং সংশ্লিষ্টদের প্রতি বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। অপরিচিত ব্যক্তি বা সন্দেহজনক ফোনকলের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তিগত বা আর্থিক তথ্য না দেওয়ার পাশাপাশি ব্যাংক হিসাব, মোবাইল ব্যাংকিং তথ্য, ওটিপি কিংবা পিন নম্বর কারও সঙ্গে শেয়ার না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের নাম ব্যবহার করে কেউ কোনো তথ্য বা অর্থ দাবি করলে তা সংশ্লিষ্ট জেলা বা উপজেলা কার্যালয়ের মাধ্যমে যাচাই করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
প্রতারণার কোনো চেষ্টা বা সন্দেহজনক যোগাযোগের ঘটনা ঘটলে দ্রুত নিকটস্থ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার আহ্বানও জানানো হয়েছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন বলেছে, দেশের মসজিদভিত্তিক কার্যক্রম, ইমাম প্রশিক্ষণ, ধর্মীয় শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে। এর সুনাম ক্ষুণ্ন করা এবং ধর্মপ্রাণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যেই একটি অসাধু চক্র এ ধরনের অপতৎপরতায় লিপ্ত হয়েছে। সবার সচেতনতা ও সহযোগিতাই এ ধরনের প্রতারণা প্রতিরোধে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন