কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলায় টানা ভারী বর্ষণের মধ্যে একটি ঘরের মাটির দেয়াল ধসে মোহাম্মদ মালেক (৪০) নামে এক দিনমজুরের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে Haldiapalong Union-এর ৬ নম্বর ওয়ার্ডের জামবাগান এলাকায় মো. এখলাসের বাড়িতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মোহাম্মদ মালেক পশ্চিম হলদিয়া গ্রামের ছৈয়দুর রহমানের ছেলে। তবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে পরিবার নিয়ে জামবাগান এলাকায় বসবাস করছিলেন। পেশায় তিনি একজন দিনমজুর ছিলেন।
হলদিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইমরুল কায়েস চৌধরী জানান, ঘটনার সময় মালেক ঘরের ভেতরে বসে দুপুরের খাবার খাচ্ছিলেন। টানা অতিবৃষ্টির কারণে হঠাৎ ঘরের মাটির দেয়াল ধসে তার ওপর পড়ে। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ নিয়ে গেলে বিকেল ৫টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় অন্য কেউ আহত হননি।
৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ শাহাজাহান বলেন, নিহতের পরিবারটি অত্যন্ত দরিদ্র। দিনমজুরি করেই তিনি পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ছিলেন। তার মৃত্যুতে পরিবারটি চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
স্থানীয়দের মতে, কয়েক দিনের টানা ভারী বর্ষণে এলাকার অনেক কাঁচা ও মাটির ঘর ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়াতে ঝুঁকিপূর্ণ বসতঘরে বসবাসকারীদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলায় টানা ভারী বর্ষণের মধ্যে একটি ঘরের মাটির দেয়াল ধসে মোহাম্মদ মালেক (৪০) নামে এক দিনমজুরের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে Haldiapalong Union-এর ৬ নম্বর ওয়ার্ডের জামবাগান এলাকায় মো. এখলাসের বাড়িতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মোহাম্মদ মালেক পশ্চিম হলদিয়া গ্রামের ছৈয়দুর রহমানের ছেলে। তবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে পরিবার নিয়ে জামবাগান এলাকায় বসবাস করছিলেন। পেশায় তিনি একজন দিনমজুর ছিলেন।
হলদিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইমরুল কায়েস চৌধরী জানান, ঘটনার সময় মালেক ঘরের ভেতরে বসে দুপুরের খাবার খাচ্ছিলেন। টানা অতিবৃষ্টির কারণে হঠাৎ ঘরের মাটির দেয়াল ধসে তার ওপর পড়ে। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ নিয়ে গেলে বিকেল ৫টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় অন্য কেউ আহত হননি।
৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ শাহাজাহান বলেন, নিহতের পরিবারটি অত্যন্ত দরিদ্র। দিনমজুরি করেই তিনি পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ছিলেন। তার মৃত্যুতে পরিবারটি চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
স্থানীয়দের মতে, কয়েক দিনের টানা ভারী বর্ষণে এলাকার অনেক কাঁচা ও মাটির ঘর ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়াতে ঝুঁকিপূর্ণ বসতঘরে বসবাসকারীদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।

আপনার মতামত লিখুন