জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে এ সাক্ষাৎ ও বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা, চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডোর (বিসিএমইসি), বাংলাদেশে চীনের বিনিয়োগ, রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
আলোচনায় উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও চীনের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, বাণিজ্যিক, কূটনৈতিক এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা ও উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে একযোগে কাজ করার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করা হয়।
বৈঠকে দুই দেশের দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক বন্ধুত্বের গুরুত্ব তুলে ধরে বলা হয়, জনগণের কল্যাণ, উন্নয়ন সহযোগিতা, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ে এ সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও গভীর ও বহুমাত্রিক হবে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়।
এ সময় ডা. শফিকুর রহমান রোহিঙ্গা সংকটের দ্রুত ও স্থায়ী সমাধানে চীনের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি মিয়ানমারে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায় এবং টেকসই প্রত্যাবর্তনের ক্ষেত্রেও বেইজিংয়ের কার্যকর ভূমিকার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
এ ছাড়া তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা, বিসিএমইসি এবং বাংলাদেশে সম্ভাব্য বিভিন্ন উন্নয়ন ও বিনিয়োগ প্রকল্প নিয়েও উভয় পক্ষের মধ্যে মতবিনিময় হয়।
চীনা রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকে দূতাবাসের রাজনৈতিক সেকশনের পরিচালক ঝ্যাং জিং এবং পলিটিক্যাল অ্যাটাশে রু কি উপস্থিত ছিলেন।
অন্যদিকে ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে ছিলেন তার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান এবং পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬
জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে এ সাক্ষাৎ ও বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা, চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডোর (বিসিএমইসি), বাংলাদেশে চীনের বিনিয়োগ, রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
আলোচনায় উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও চীনের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, বাণিজ্যিক, কূটনৈতিক এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা ও উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে একযোগে কাজ করার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করা হয়।
বৈঠকে দুই দেশের দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক বন্ধুত্বের গুরুত্ব তুলে ধরে বলা হয়, জনগণের কল্যাণ, উন্নয়ন সহযোগিতা, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ে এ সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও গভীর ও বহুমাত্রিক হবে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়।
এ সময় ডা. শফিকুর রহমান রোহিঙ্গা সংকটের দ্রুত ও স্থায়ী সমাধানে চীনের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি মিয়ানমারে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায় এবং টেকসই প্রত্যাবর্তনের ক্ষেত্রেও বেইজিংয়ের কার্যকর ভূমিকার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
এ ছাড়া তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা, বিসিএমইসি এবং বাংলাদেশে সম্ভাব্য বিভিন্ন উন্নয়ন ও বিনিয়োগ প্রকল্প নিয়েও উভয় পক্ষের মধ্যে মতবিনিময় হয়।
চীনা রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকে দূতাবাসের রাজনৈতিক সেকশনের পরিচালক ঝ্যাং জিং এবং পলিটিক্যাল অ্যাটাশে রু কি উপস্থিত ছিলেন।
অন্যদিকে ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে ছিলেন তার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান এবং পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর।

আপনার মতামত লিখুন