বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলায় পাথরবোঝাই একটি ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে রিমিতা তঞ্চঙ্গ্যা (৪) নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে ৩ নম্বর আলেক্ষ্যং ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ওয়াগয়পাড়া সংলগ্ন রোয়াংছড়ি থানার সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত রিমিতা বান্দরবান সদর উপজেলার ৬ নম্বর ছামছড়ি ইউনিয়নের শামুকঝিরি পুনর্বাসনপাড়ার বাসিন্দা নিরজয় তঞ্চঙ্গ্যার মেয়ে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিরজয় তঞ্চঙ্গ্যা মোটরসাইকেলে করে মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে রোয়াংছড়ি বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে রোয়াংছড়ি থানার সামনে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে বান্দরবান সদর থেকে রুমার উদ্দেশ্যে যাওয়া পাথরবোঝাই একটি ড্রাম ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
সংকীর্ণ সড়কে ট্রাকটিকে পাশ দিতে গিয়ে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন নিরজয়। এ সময় ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেলের পেছনে থাকা রিমিতা ছিটকে সড়কে পড়ে যায়। মুহূর্তের মধ্যেই ট্রাকের চাকার নিচে পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনাটি থানার একেবারে সামনে হওয়ায় পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ট্রাকটি জব্দ করে এবং চালক ফোরকান (৪৫)কে আটক করে। তিনি কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের দক্ষিণ রনমহল গ্রামের বাসিন্দা নবী হোসেনের ছেলে।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের পাশাপাশি ক্ষোভও ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের অভিযোগ, পার্বত্য এলাকার সরু ও আঁকাবাঁকা সড়কে অতিরিক্ত ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। জননিরাপত্তার স্বার্থে দিনের বেলায় এসব ভারী যানবাহনের চলাচল নিয়ন্ত্রণ বা নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
রোয়াংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবীর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনায় জড়িত ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে এবং চালককে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় সড়ক পরিবহন আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। নিহত শিশুর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বান্দরবান সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬
বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলায় পাথরবোঝাই একটি ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে রিমিতা তঞ্চঙ্গ্যা (৪) নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে ৩ নম্বর আলেক্ষ্যং ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ওয়াগয়পাড়া সংলগ্ন রোয়াংছড়ি থানার সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত রিমিতা বান্দরবান সদর উপজেলার ৬ নম্বর ছামছড়ি ইউনিয়নের শামুকঝিরি পুনর্বাসনপাড়ার বাসিন্দা নিরজয় তঞ্চঙ্গ্যার মেয়ে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিরজয় তঞ্চঙ্গ্যা মোটরসাইকেলে করে মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে রোয়াংছড়ি বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে রোয়াংছড়ি থানার সামনে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে বান্দরবান সদর থেকে রুমার উদ্দেশ্যে যাওয়া পাথরবোঝাই একটি ড্রাম ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
সংকীর্ণ সড়কে ট্রাকটিকে পাশ দিতে গিয়ে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন নিরজয়। এ সময় ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেলের পেছনে থাকা রিমিতা ছিটকে সড়কে পড়ে যায়। মুহূর্তের মধ্যেই ট্রাকের চাকার নিচে পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনাটি থানার একেবারে সামনে হওয়ায় পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ট্রাকটি জব্দ করে এবং চালক ফোরকান (৪৫)কে আটক করে। তিনি কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের দক্ষিণ রনমহল গ্রামের বাসিন্দা নবী হোসেনের ছেলে।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের পাশাপাশি ক্ষোভও ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের অভিযোগ, পার্বত্য এলাকার সরু ও আঁকাবাঁকা সড়কে অতিরিক্ত ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। জননিরাপত্তার স্বার্থে দিনের বেলায় এসব ভারী যানবাহনের চলাচল নিয়ন্ত্রণ বা নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
রোয়াংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবীর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনায় জড়িত ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে এবং চালককে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় সড়ক পরিবহন আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। নিহত শিশুর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বান্দরবান সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন