সুনামগঞ্জ-জামালগঞ্জ সড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি সিএনজি অটোরিকশা বৈদ্যুতিক স্তম্ভে ধাক্কা দেওয়ায় এক কিশোর নিহত হয়েছে। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় সিএনজি চালকসহ আরও তিনজন যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। নিহত কিশোরের নাম মো. সৌরভ মিয়া (১৫)। সে জামালগঞ্জ উপজেলার ভীমখালী ইউনিয়নের কলকতখাঁ গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে।
আহতরা হলেন একই গ্রামের আমির হোসেন রায়হান (১৭), রফিক মিয়ার ছেলে কয়েছ মিয়া (২০), যিনি সিএনজি চালক ছিলেন, এবং জুলহাস মিয়ার ছেলে রাহি মিয়া (১৭)। নিহত ও আহতদের সবাই একে অপরের আত্মীয় বলে জানা গেছে। ঘটনাটি ঘটে বুধবার আনুমানিক রাত ১২টায়।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, সৌরভ ও তাঁর স্বজনরা সেদিন রাতে সৌরভের বাবা আমির হোসেনকে বিদেশে (প্রবাসে) পাঠাতে সুনামগঞ্জ পুরাতন বাসস্টেশনে পৌঁছে দিয়ে নিজ গ্রাম কলকতখাঁর উদ্দেশ্যে ফিরছিলেন। সিএনজিটি ঘটনাস্থল গাপলী গ্রামে পৌঁছানো মাত্রই চালক কয়েছ মিয়া নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে থাকা একটি বৈদ্যুতিক পিলারের সাথে সজোরে ধাক্কা মারেন। এর ফলেই এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। দুর্ঘটনার পর আহতদের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।
স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক সৌরভ মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন। বাকি আহতদের মধ্যে সিএনজি চালকসহ দুজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং একজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত ইমার্জেন্সী মেডিকেল অফিসার ডাক্তার মোহাম্মদ আলী এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ নভেম্বর ২০২৫
সুনামগঞ্জ-জামালগঞ্জ সড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি সিএনজি অটোরিকশা বৈদ্যুতিক স্তম্ভে ধাক্কা দেওয়ায় এক কিশোর নিহত হয়েছে। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় সিএনজি চালকসহ আরও তিনজন যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। নিহত কিশোরের নাম মো. সৌরভ মিয়া (১৫)। সে জামালগঞ্জ উপজেলার ভীমখালী ইউনিয়নের কলকতখাঁ গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে।
আহতরা হলেন একই গ্রামের আমির হোসেন রায়হান (১৭), রফিক মিয়ার ছেলে কয়েছ মিয়া (২০), যিনি সিএনজি চালক ছিলেন, এবং জুলহাস মিয়ার ছেলে রাহি মিয়া (১৭)। নিহত ও আহতদের সবাই একে অপরের আত্মীয় বলে জানা গেছে। ঘটনাটি ঘটে বুধবার আনুমানিক রাত ১২টায়।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, সৌরভ ও তাঁর স্বজনরা সেদিন রাতে সৌরভের বাবা আমির হোসেনকে বিদেশে (প্রবাসে) পাঠাতে সুনামগঞ্জ পুরাতন বাসস্টেশনে পৌঁছে দিয়ে নিজ গ্রাম কলকতখাঁর উদ্দেশ্যে ফিরছিলেন। সিএনজিটি ঘটনাস্থল গাপলী গ্রামে পৌঁছানো মাত্রই চালক কয়েছ মিয়া নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে থাকা একটি বৈদ্যুতিক পিলারের সাথে সজোরে ধাক্কা মারেন। এর ফলেই এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। দুর্ঘটনার পর আহতদের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।
স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক সৌরভ মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন। বাকি আহতদের মধ্যে সিএনজি চালকসহ দুজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং একজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত ইমার্জেন্সী মেডিকেল অফিসার ডাক্তার মোহাম্মদ আলী এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন