জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের সাধারণ আলোচনা শুরুর আগে সংসদ সদস্যদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বক্তব্য শেষ করার কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। অতিরিক্ত সময়ের আবেদন না করতে সদস্যদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে তিনি একটি ব্যতিক্রমী মন্তব্য করেন। তার ভাষায়, ‘মুদিদোকানে লেখা থাকে, বাকি চাহিয়া লজ্জা দিবেন না। সময় চাহিয়া লজ্জা দিবেন না।’
শনিবার জাতীয় সংসদে বাজেটের সাধারণ আলোচনা শুরুর আগে স্পিকার বলেন, হাতে সময় কম থাকায় আজ ও আগামীকাল এই দুই দিন বাজেটের সাধারণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর সংসদের অন্যান্য কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
তিনি জানান, সরকারি দল ও বিরোধী দলের হুইপরা যে সময় নির্ধারণ করেছেন, সেই অনুযায়ী প্রত্যেক সদস্যকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে। নির্ধারিত সময়ের বাইরে আর কোনো অতিরিক্ত সময় দেওয়া হবে না।
সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে স্পিকার বলেন, বক্তব্য দেওয়ার সময় ঘড়ির দিকে খেয়াল রাখতে হবে। এমনভাবে বক্তব্য শেষ করতে হবে, যাতে নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার আগেই তা সম্পন্ন করা যায় এবং অসমাপ্ত অবস্থায় বসে যেতে না হয়।
বাজেট অধিবেশন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার স্বার্থে সময়সীমা মেনে চলার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, বাধ্য হয়েই এই কড়াকড়ি করা হচ্ছে। তাই অতিরিক্ত সময় চেয়ে তাকে বিব্রত না করার আহ্বান জানান তিনি।
এর আগে অধিবেশনের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফর নিয়ে আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনাতেও সময়সীমা বেঁধে দেন স্পিকার। এ সময় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বক্তব্য দিতে চাইলে স্পিকার তাকে পাঁচ মিনিটের মধ্যে বক্তব্য শেষ করার অনুরোধ জানান, যাতে দ্রুত বাজেট আলোচনায় ফেরা যায়।
ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত হওয়ার পর বাজেটের সাধারণ আলোচনা শুরু হয়। প্রথম বক্তা ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমানকে ছয় মিনিট সময় দেওয়া হয়। সময় শেষ হলে স্পিকার তার বক্তব্য থামিয়ে পরবর্তী বক্তাকে আহ্বান জানান।
পরে গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম ফজলুল হক মিলনকে ১০ মিনিট সময় দেওয়া হয়। বক্তব্যের শেষ দিকে তিনি অতিরিক্ত দুই মিনিট সময় চাইলে স্পিকার সংক্ষেপে বলেন, ‘সময় নাই।’
এরপরও ফজলুল হক মিলন আবার সময়ের আবেদন করলে স্পিকার শুরুতে দেওয়া সতর্কবার্তার কথাই স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি বলেন, ‘আমি তো বক্তব্যের প্রারম্ভে বলেছি, মুদিদোকানে লেখা থাকে, বাকি চাহিয়া লজ্জা দিবেন না। সময় চাহিয়া লজ্জা দিবেন না।’

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬
জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের সাধারণ আলোচনা শুরুর আগে সংসদ সদস্যদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বক্তব্য শেষ করার কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। অতিরিক্ত সময়ের আবেদন না করতে সদস্যদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে তিনি একটি ব্যতিক্রমী মন্তব্য করেন। তার ভাষায়, ‘মুদিদোকানে লেখা থাকে, বাকি চাহিয়া লজ্জা দিবেন না। সময় চাহিয়া লজ্জা দিবেন না।’
শনিবার জাতীয় সংসদে বাজেটের সাধারণ আলোচনা শুরুর আগে স্পিকার বলেন, হাতে সময় কম থাকায় আজ ও আগামীকাল এই দুই দিন বাজেটের সাধারণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর সংসদের অন্যান্য কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
তিনি জানান, সরকারি দল ও বিরোধী দলের হুইপরা যে সময় নির্ধারণ করেছেন, সেই অনুযায়ী প্রত্যেক সদস্যকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে। নির্ধারিত সময়ের বাইরে আর কোনো অতিরিক্ত সময় দেওয়া হবে না।
সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে স্পিকার বলেন, বক্তব্য দেওয়ার সময় ঘড়ির দিকে খেয়াল রাখতে হবে। এমনভাবে বক্তব্য শেষ করতে হবে, যাতে নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার আগেই তা সম্পন্ন করা যায় এবং অসমাপ্ত অবস্থায় বসে যেতে না হয়।
বাজেট অধিবেশন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার স্বার্থে সময়সীমা মেনে চলার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, বাধ্য হয়েই এই কড়াকড়ি করা হচ্ছে। তাই অতিরিক্ত সময় চেয়ে তাকে বিব্রত না করার আহ্বান জানান তিনি।
এর আগে অধিবেশনের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফর নিয়ে আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনাতেও সময়সীমা বেঁধে দেন স্পিকার। এ সময় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বক্তব্য দিতে চাইলে স্পিকার তাকে পাঁচ মিনিটের মধ্যে বক্তব্য শেষ করার অনুরোধ জানান, যাতে দ্রুত বাজেট আলোচনায় ফেরা যায়।
ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত হওয়ার পর বাজেটের সাধারণ আলোচনা শুরু হয়। প্রথম বক্তা ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমানকে ছয় মিনিট সময় দেওয়া হয়। সময় শেষ হলে স্পিকার তার বক্তব্য থামিয়ে পরবর্তী বক্তাকে আহ্বান জানান।
পরে গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম ফজলুল হক মিলনকে ১০ মিনিট সময় দেওয়া হয়। বক্তব্যের শেষ দিকে তিনি অতিরিক্ত দুই মিনিট সময় চাইলে স্পিকার সংক্ষেপে বলেন, ‘সময় নাই।’
এরপরও ফজলুল হক মিলন আবার সময়ের আবেদন করলে স্পিকার শুরুতে দেওয়া সতর্কবার্তার কথাই স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি বলেন, ‘আমি তো বক্তব্যের প্রারম্ভে বলেছি, মুদিদোকানে লেখা থাকে, বাকি চাহিয়া লজ্জা দিবেন না। সময় চাহিয়া লজ্জা দিবেন না।’

আপনার মতামত লিখুন