চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক গ্রেট হলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘দিয়াওইউতাই’ থেকে মোটর শোভাযাত্রায় গ্রেট হলে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান লি কিয়াং। দুই নেতার শুভেচ্ছা বিনিময়ের পর উভয় দেশের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে পরিচয়পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
পরে লালগালিচা সংবর্ধনার মধ্য দিয়ে তারেক রহমানকে অভিবাদন মঞ্চে নিয়ে যান চীনের প্রধানমন্ত্রী। সেখানে চীনের সশস্ত্র বাহিনীর একটি সুসজ্জিত চৌকস দল রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদান করে। এ সময় বাংলাদেশ ও চীনের জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হয়।
রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সম্মান জানিয়ে তোপধ্বনি দেওয়া হয়। এরপর দুই প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনীর গার্ড অব অনার ও প্যারেড পরিদর্শন করেন।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি তারেক রহমানের প্রথম চীন সফর। এর আগে ২০০১ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সফরসঙ্গী হিসেবে তিনি চীন সফর করেছিলেন। সেই সফরেও গ্রেট হলে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তিনি।
এর আগে গত ২১ জুন সরকারি সফরে মালয়েশিয়া যান প্রধানমন্ত্রী। দুই দিনের সফর শেষে সোমবার রাতে চীনের দালিয়ানে পৌঁছে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের সম্মেলনে অংশ নেন। সেখানে নির্ধারিত কর্মসূচি শেষ করে বুধবার বিকেলে বুলেট ট্রেনে বেইজিংয়ে যান তিনি।
সফরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে গ্রেট হলে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, বৈঠকে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬
চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক গ্রেট হলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘দিয়াওইউতাই’ থেকে মোটর শোভাযাত্রায় গ্রেট হলে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান লি কিয়াং। দুই নেতার শুভেচ্ছা বিনিময়ের পর উভয় দেশের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে পরিচয়পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
পরে লালগালিচা সংবর্ধনার মধ্য দিয়ে তারেক রহমানকে অভিবাদন মঞ্চে নিয়ে যান চীনের প্রধানমন্ত্রী। সেখানে চীনের সশস্ত্র বাহিনীর একটি সুসজ্জিত চৌকস দল রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদান করে। এ সময় বাংলাদেশ ও চীনের জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হয়।
রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সম্মান জানিয়ে তোপধ্বনি দেওয়া হয়। এরপর দুই প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনীর গার্ড অব অনার ও প্যারেড পরিদর্শন করেন।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি তারেক রহমানের প্রথম চীন সফর। এর আগে ২০০১ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সফরসঙ্গী হিসেবে তিনি চীন সফর করেছিলেন। সেই সফরেও গ্রেট হলে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তিনি।
এর আগে গত ২১ জুন সরকারি সফরে মালয়েশিয়া যান প্রধানমন্ত্রী। দুই দিনের সফর শেষে সোমবার রাতে চীনের দালিয়ানে পৌঁছে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের সম্মেলনে অংশ নেন। সেখানে নির্ধারিত কর্মসূচি শেষ করে বুধবার বিকেলে বুলেট ট্রেনে বেইজিংয়ে যান তিনি।
সফরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে গ্রেট হলে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, বৈঠকে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হবে।

আপনার মতামত লিখুন