শেরপুর সদর উপজেলার বাজিতখিলা ইউনিয়নের মির্জপুর কান্দিপাড়া গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধ ও পূর্ব শত্রুতার জের ধরে গোলাপী প্রতিবন্ধী (২৫) নামে এক যুবকের উপর হত্যার প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে। এ ঘটনায় আহত গোলাপীর বড় ভাই মো. নূর ইসলাম বাদী হয়ে শেরপুর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্তরা হলেন একই গ্রামের মো. ছমির আলীর ছেলে মো. জাকির হোসেন (২৭), মো. খরুবাপের ছেলে মো. হাজী মিয়া (২৮), আব্দুল এর ছেলে চকিদার মো. হাফিজুর রহমান (২৫), মিসকিনের ছেলে মো. হোসেন আলী (২৪) সহ আরও অজ্ঞাতনামা পাঁচ-ছয় জন সন্ত্রাসী।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, শেরপুর সদর উপজেলার মির্জপুর কান্দিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. জয়নাল আবেদীনের পরিবারের সঙ্গে একই গ্রামের প্রতিবেশীদের জমি সংক্রান্ত বিরোধ ও পূর্ব শত্রুতা নিয়ে আদালতে মামলা চলে আসছিল। এরই জের ধরে ২১ নভেম্বর শুক্রবার রাত সাড়ে এগারোটার দিকে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে মির্জপুর কান্দিপাড়া বিএম সড়কের মন্ডল বাড়ীর সম্মুখে ওই সন্ত্রাসীরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে প্রতিবন্ধী গোলাপীর উপর হামলা চালায়। সন্ত্রাসীদের হামলায় গোলাপী গুরুতর আহত হন। পরে তাঁর ডাক-চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে এলে ওই সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। এ সময় গুরুতর আহত গোলাপীকে উদ্ধার করে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, এই চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা দায়ের করা হলে তারা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ভিকটিম গোলাপীর পরিবারকে মামলা প্রত্যাহারসহ প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। পরিবারটি দ্রুত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে। এ বিষয়ে মামলার আসামি চকিদার মো. হাফিজুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, "এ ব্যাপারে আমি কিছুই জানিনা। আমি তখন ডিউটিতে ছিলাম।" অপর আসামিদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তাদের পাওয়া যায়নি। শেরপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ যুবাইদুল আলম এ বিষয়ে বলেন, তদন্ত চলছে এবং তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ নভেম্বর ২০২৫
শেরপুর সদর উপজেলার বাজিতখিলা ইউনিয়নের মির্জপুর কান্দিপাড়া গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধ ও পূর্ব শত্রুতার জের ধরে গোলাপী প্রতিবন্ধী (২৫) নামে এক যুবকের উপর হত্যার প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে। এ ঘটনায় আহত গোলাপীর বড় ভাই মো. নূর ইসলাম বাদী হয়ে শেরপুর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্তরা হলেন একই গ্রামের মো. ছমির আলীর ছেলে মো. জাকির হোসেন (২৭), মো. খরুবাপের ছেলে মো. হাজী মিয়া (২৮), আব্দুল এর ছেলে চকিদার মো. হাফিজুর রহমান (২৫), মিসকিনের ছেলে মো. হোসেন আলী (২৪) সহ আরও অজ্ঞাতনামা পাঁচ-ছয় জন সন্ত্রাসী।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, শেরপুর সদর উপজেলার মির্জপুর কান্দিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. জয়নাল আবেদীনের পরিবারের সঙ্গে একই গ্রামের প্রতিবেশীদের জমি সংক্রান্ত বিরোধ ও পূর্ব শত্রুতা নিয়ে আদালতে মামলা চলে আসছিল। এরই জের ধরে ২১ নভেম্বর শুক্রবার রাত সাড়ে এগারোটার দিকে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে মির্জপুর কান্দিপাড়া বিএম সড়কের মন্ডল বাড়ীর সম্মুখে ওই সন্ত্রাসীরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে প্রতিবন্ধী গোলাপীর উপর হামলা চালায়। সন্ত্রাসীদের হামলায় গোলাপী গুরুতর আহত হন। পরে তাঁর ডাক-চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে এলে ওই সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। এ সময় গুরুতর আহত গোলাপীকে উদ্ধার করে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, এই চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা দায়ের করা হলে তারা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ভিকটিম গোলাপীর পরিবারকে মামলা প্রত্যাহারসহ প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। পরিবারটি দ্রুত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে। এ বিষয়ে মামলার আসামি চকিদার মো. হাফিজুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, "এ ব্যাপারে আমি কিছুই জানিনা। আমি তখন ডিউটিতে ছিলাম।" অপর আসামিদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তাদের পাওয়া যায়নি। শেরপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ যুবাইদুল আলম এ বিষয়ে বলেন, তদন্ত চলছে এবং তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন