দেশের অন্যতম আম উৎপাদনকারী জেলা নওগাঁর আম এবার আরও বড় আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। জাপানের একদল ব্যবসায়ী ও আমদানিকারক নওগাঁর পোরশা উপজেলার রপ্তানিযোগ্য আম বাগান পরিদর্শন করে স্থানীয় আমের গুণগত মান ও উৎপাদন পদ্ধতি সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
শুক্রবার বাগান পরিদর্শনের সময় জাপানি প্রতিনিধিদল আমের উৎপাদন, পরিচর্যা, সংগ্রহ, গ্রেডিং ও রপ্তানি প্রক্রিয়া সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। তারা জানান, জাপানে মানসম্মত ও নিরাপদ আমের চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে। বাংলাদেশের আমের স্বাদ, গুণগত মান এবং উৎপাদন ব্যবস্থা তাদের প্রত্যাশা পূরণ করেছে।
প্রতিনিধিদলের সদস্যরা বলেন, বাংলাদেশ থেকে জাপানে আম রপ্তানির সুযোগ আরও সম্প্রসারণের সম্ভাবনা রয়েছে। প্রয়োজনীয় মানদণ্ড বজায় রাখা হলে ভবিষ্যতে বৃহৎ পরিসরে বাংলাদেশি আম জাপানের বাজারে রপ্তানি করা সম্ভব হবে।
স্থানীয় কৃষক ও বাগান মালিকরা জানান, বিদেশি ক্রেতাদের আগ্রহ দেশের আম শিল্পের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক বার্তা। আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারিত হলে কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পাবেন এবং আম রপ্তানি খাত আরও সমৃদ্ধ হবে।
কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে নওগাঁ জেলায় প্রায় ৩০ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে আমের আবাদ হয়েছে। এ বছর জেলায় প্রায় ৩ লাখ ৮৬ হাজার মেট্রিক টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, জাপানের মতো উন্নত বাজারে বাংলাদেশি আমের প্রবেশ দেশের কৃষি রপ্তানি খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬
দেশের অন্যতম আম উৎপাদনকারী জেলা নওগাঁর আম এবার আরও বড় আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। জাপানের একদল ব্যবসায়ী ও আমদানিকারক নওগাঁর পোরশা উপজেলার রপ্তানিযোগ্য আম বাগান পরিদর্শন করে স্থানীয় আমের গুণগত মান ও উৎপাদন পদ্ধতি সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
শুক্রবার বাগান পরিদর্শনের সময় জাপানি প্রতিনিধিদল আমের উৎপাদন, পরিচর্যা, সংগ্রহ, গ্রেডিং ও রপ্তানি প্রক্রিয়া সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। তারা জানান, জাপানে মানসম্মত ও নিরাপদ আমের চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে। বাংলাদেশের আমের স্বাদ, গুণগত মান এবং উৎপাদন ব্যবস্থা তাদের প্রত্যাশা পূরণ করেছে।
প্রতিনিধিদলের সদস্যরা বলেন, বাংলাদেশ থেকে জাপানে আম রপ্তানির সুযোগ আরও সম্প্রসারণের সম্ভাবনা রয়েছে। প্রয়োজনীয় মানদণ্ড বজায় রাখা হলে ভবিষ্যতে বৃহৎ পরিসরে বাংলাদেশি আম জাপানের বাজারে রপ্তানি করা সম্ভব হবে।
স্থানীয় কৃষক ও বাগান মালিকরা জানান, বিদেশি ক্রেতাদের আগ্রহ দেশের আম শিল্পের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক বার্তা। আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারিত হলে কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পাবেন এবং আম রপ্তানি খাত আরও সমৃদ্ধ হবে।
কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে নওগাঁ জেলায় প্রায় ৩০ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে আমের আবাদ হয়েছে। এ বছর জেলায় প্রায় ৩ লাখ ৮৬ হাজার মেট্রিক টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, জাপানের মতো উন্নত বাজারে বাংলাদেশি আমের প্রবেশ দেশের কৃষি রপ্তানি খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন