বেতন কাঠামো দশম গ্রেডে উন্নীত করার দাবিতে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা কর্মবিরতি পালন করছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) সকাল নয়টা থেকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মূল ফটকের সামনে শুরু হওয়া এই কর্মবিরতিতে হাসপাতালের নিয়মিত সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
কর্মবিরতি চলাকালে বক্তব্য দেন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ল্যাব) ও বিএমটিএ নওগাঁ জেলা সভাপতি অমল কুমার, ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ফয়জ উদ্দিন, ফার্মাসিস্ট মনিরুল ইসলাম ও সাইফুল ইসলাম টুকু। তাঁরা অভিযোগ করেন, "সমপর্যায়ের ডিগ্রিধারী নার্স, উপসহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা, উপ-পরিদর্শক (এসআই) সহ অন্যান্য ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারীরা ইতোমধ্যে দশম গ্রেড ভোগ করছেন। অথচ আমরা এখনো সেই সুবিধা থেকে বঞ্চিত—এটি সুস্পষ্ট বৈষম্য।"
কর্মবিরতির কারণে স্বাস্থ্যসেবা নিতে আসা রোগীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। বেলালদহ গ্রামের সাজেদা বেগম জানান, "সকাল থেকে রক্ত পরীক্ষার জন্য লাইনে আছি—এখনো নিতে পারেনি।" বড়পই গ্রামের হাবিবুর রহমান বলেন, "সকাল থেকে দাঁড়িয়ে আছি, ফার্মাসিস্ট কর্মবিরতিতে থাকায় কাউন্টার থেকে কোনো ওষুধ দিচ্ছে না।"
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, "তাদের দাবি যৌক্তিক। দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে তাদের কাজে ফেরানোর ব্যবস্থা করা জরুরি। দীর্ঘ কর্মবিরতিতে রোগীদের মারাত্মক ভোগান্তি হচ্ছে।" তিনি আরও বলেন, "প্রধান উপদেষ্টা, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ও জনপ্রশাসন উপদেষ্টার দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। না হলে আন্দোলন সারাদেশে ছড়িয়ে জনদুর্ভোগ বাড়তে পারে।"

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ নভেম্বর ২০২৫
বেতন কাঠামো দশম গ্রেডে উন্নীত করার দাবিতে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা কর্মবিরতি পালন করছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) সকাল নয়টা থেকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মূল ফটকের সামনে শুরু হওয়া এই কর্মবিরতিতে হাসপাতালের নিয়মিত সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
কর্মবিরতি চলাকালে বক্তব্য দেন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ল্যাব) ও বিএমটিএ নওগাঁ জেলা সভাপতি অমল কুমার, ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ফয়জ উদ্দিন, ফার্মাসিস্ট মনিরুল ইসলাম ও সাইফুল ইসলাম টুকু। তাঁরা অভিযোগ করেন, "সমপর্যায়ের ডিগ্রিধারী নার্স, উপসহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা, উপ-পরিদর্শক (এসআই) সহ অন্যান্য ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারীরা ইতোমধ্যে দশম গ্রেড ভোগ করছেন। অথচ আমরা এখনো সেই সুবিধা থেকে বঞ্চিত—এটি সুস্পষ্ট বৈষম্য।"
কর্মবিরতির কারণে স্বাস্থ্যসেবা নিতে আসা রোগীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। বেলালদহ গ্রামের সাজেদা বেগম জানান, "সকাল থেকে রক্ত পরীক্ষার জন্য লাইনে আছি—এখনো নিতে পারেনি।" বড়পই গ্রামের হাবিবুর রহমান বলেন, "সকাল থেকে দাঁড়িয়ে আছি, ফার্মাসিস্ট কর্মবিরতিতে থাকায় কাউন্টার থেকে কোনো ওষুধ দিচ্ছে না।"
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, "তাদের দাবি যৌক্তিক। দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে তাদের কাজে ফেরানোর ব্যবস্থা করা জরুরি। দীর্ঘ কর্মবিরতিতে রোগীদের মারাত্মক ভোগান্তি হচ্ছে।" তিনি আরও বলেন, "প্রধান উপদেষ্টা, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ও জনপ্রশাসন উপদেষ্টার দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। না হলে আন্দোলন সারাদেশে ছড়িয়ে জনদুর্ভোগ বাড়তে পারে।"

আপনার মতামত লিখুন