আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের কর-জিডিপি অনুপাত ১০ শতাংশে উন্নীত করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, কর ফাঁকি রোধ, কর প্রশাসনের আধুনিকায়ন এবং করের আওতা সম্প্রসারণের মাধ্যমে এই লক্ষ্য অর্জনে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের রাজস্ব আহরণ বাড়াতে কর ফাঁকির বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে করদাতাদের জন্য সেবার মান উন্নয়ন, ডিজিটাল প্রযুক্তিনির্ভর কর ব্যবস্থা চালু এবং নতুন করদাতা অন্তর্ভুক্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, কর প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এতে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি করদাতাদের ভোগান্তিও কমবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আহরণ বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই। এ কারণে কর ব্যবস্থাকে আরও সহজ, আধুনিক ও ব্যবসাবান্ধব করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকারের গৃহীত পরিকল্পনাগুলো সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের কর-জিডিপি অনুপাত ১০ শতাংশে উন্নীত করা সম্ভব হবে এবং জাতীয় অর্থনীতি আরও শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড়াবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুন ২০২৬
আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের কর-জিডিপি অনুপাত ১০ শতাংশে উন্নীত করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, কর ফাঁকি রোধ, কর প্রশাসনের আধুনিকায়ন এবং করের আওতা সম্প্রসারণের মাধ্যমে এই লক্ষ্য অর্জনে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের রাজস্ব আহরণ বাড়াতে কর ফাঁকির বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে করদাতাদের জন্য সেবার মান উন্নয়ন, ডিজিটাল প্রযুক্তিনির্ভর কর ব্যবস্থা চালু এবং নতুন করদাতা অন্তর্ভুক্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, কর প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এতে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি করদাতাদের ভোগান্তিও কমবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আহরণ বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই। এ কারণে কর ব্যবস্থাকে আরও সহজ, আধুনিক ও ব্যবসাবান্ধব করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকারের গৃহীত পরিকল্পনাগুলো সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের কর-জিডিপি অনুপাত ১০ শতাংশে উন্নীত করা সম্ভব হবে এবং জাতীয় অর্থনীতি আরও শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড়াবে।

আপনার মতামত লিখুন