ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

রেলখাতে প্রযুক্তির ছোঁয়া, বৈদ্যুতিক ট্রেন পরিচালনার প্রস্তুতি


নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৭ জুন ২০২৬

রেলখাতে প্রযুক্তির ছোঁয়া, বৈদ্যুতিক ট্রেন পরিচালনার প্রস্তুতি
ছবি : সংগৃহীত

দেশের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও নিরাপদ, আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব করতে ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। রেলপথে বৈদ্যুতিক শক্তিচালিত ট্রেন পরিচালনার মাধ্যমে যাত্রীসেবার মান উন্নয়ন, দুর্ঘটনার ঝুঁকি হ্রাস এবং পরিচালন ব্যয় কমানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বর্তমানে ডিজেলচালিত ট্রেন পরিচালনায় জ্বালানি ব্যয় ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ তুলনামূলক বেশি। ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন চালু হলে ট্রেনের গতি বৃদ্ধি পাবে, সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত হবে এবং পরিবেশ দূষণও উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসবে।

রেলওয়ের মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রুটে বৈদ্যুতিক রেলপথ নির্মাণ ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ করা হবে। এ জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা, সিগন্যালিং প্রযুক্তি এবং ট্র্যাক আধুনিকায়নের উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর মতো বাংলাদেশেও ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন চালু হলে রেল যোগাযোগে এক নতুন যুগের সূচনা হবে। এতে যাত্রীরা পাবেন আরও নিরাপদ, আরামদায়ক ও দ্রুতগতির সেবা।

রেলপথ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার আওতায় দেশের রেলখাতকে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ও টেকসই পরিবহন ব্যবস্থায় রূপান্তর করতে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ফলে ভবিষ্যতে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় রেলপথের অবদান আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


রেলখাতে প্রযুক্তির ছোঁয়া, বৈদ্যুতিক ট্রেন পরিচালনার প্রস্তুতি

প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুন ২০২৬

featured Image

দেশের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও নিরাপদ, আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব করতে ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। রেলপথে বৈদ্যুতিক শক্তিচালিত ট্রেন পরিচালনার মাধ্যমে যাত্রীসেবার মান উন্নয়ন, দুর্ঘটনার ঝুঁকি হ্রাস এবং পরিচালন ব্যয় কমানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বর্তমানে ডিজেলচালিত ট্রেন পরিচালনায় জ্বালানি ব্যয় ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ তুলনামূলক বেশি। ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন চালু হলে ট্রেনের গতি বৃদ্ধি পাবে, সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত হবে এবং পরিবেশ দূষণও উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসবে।

রেলওয়ের মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রুটে বৈদ্যুতিক রেলপথ নির্মাণ ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ করা হবে। এ জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা, সিগন্যালিং প্রযুক্তি এবং ট্র্যাক আধুনিকায়নের উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর মতো বাংলাদেশেও ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন চালু হলে রেল যোগাযোগে এক নতুন যুগের সূচনা হবে। এতে যাত্রীরা পাবেন আরও নিরাপদ, আরামদায়ক ও দ্রুতগতির সেবা।

রেলপথ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার আওতায় দেশের রেলখাতকে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ও টেকসই পরিবহন ব্যবস্থায় রূপান্তর করতে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ফলে ভবিষ্যতে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় রেলপথের অবদান আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ