টানা ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও গাজীপুরের কালিয়াকৈর পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। ভারী বর্ষণ ও অপর্যাপ্ত পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার কারণে হাজারো পরিবার পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। অনেক এলাকায় ঘরবাড়ি, দোকানপাট ও সড়ক পানির নিচে তলিয়ে গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পৌরসভার একাধিক ওয়ার্ডে বৃষ্টির পানি জমে থাকায় অর্ধলাখেরও বেশি মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। বাসাবাড়িতে পানি ঢুকে পড়ায় অনেক পরিবার নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে। পানিবন্দি মানুষের মধ্যে দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানি ও খাবারের সংকট।
জলাবদ্ধতার কারণে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বিভিন্ন সড়কে হাঁটু থেকে কোমরসমান পানি থাকায় যানবাহন চলাচল সীমিত হয়ে পড়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
ভুক্তভোগীরা জানান, দীর্ঘ সময় ধরে পানি জমে থাকায় নষ্ট হচ্ছে আসবাবপত্র ও গৃহস্থালির প্রয়োজনীয় সামগ্রী। পাশাপাশি পানিবাহিত রোগের আশঙ্কাও বাড়ছে। শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ ব্যক্তিরা সবচেয়ে বেশি কষ্টে রয়েছেন।
এদিকে পরিস্থিতি মোকাবিলায় পানি নিষ্কাশনের কাজ চলছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন ও পৌর কর্তৃপক্ষ। তবে দ্রুত জলাবদ্ধতা নিরসন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে জরুরি ত্রাণ, বিশুদ্ধ পানি ও চিকিৎসা সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয়দের আশঙ্কা, আগামী কয়েকদিন বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুন ২০২৬
টানা ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও গাজীপুরের কালিয়াকৈর পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। ভারী বর্ষণ ও অপর্যাপ্ত পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার কারণে হাজারো পরিবার পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। অনেক এলাকায় ঘরবাড়ি, দোকানপাট ও সড়ক পানির নিচে তলিয়ে গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পৌরসভার একাধিক ওয়ার্ডে বৃষ্টির পানি জমে থাকায় অর্ধলাখেরও বেশি মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। বাসাবাড়িতে পানি ঢুকে পড়ায় অনেক পরিবার নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে। পানিবন্দি মানুষের মধ্যে দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানি ও খাবারের সংকট।
জলাবদ্ধতার কারণে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বিভিন্ন সড়কে হাঁটু থেকে কোমরসমান পানি থাকায় যানবাহন চলাচল সীমিত হয়ে পড়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
ভুক্তভোগীরা জানান, দীর্ঘ সময় ধরে পানি জমে থাকায় নষ্ট হচ্ছে আসবাবপত্র ও গৃহস্থালির প্রয়োজনীয় সামগ্রী। পাশাপাশি পানিবাহিত রোগের আশঙ্কাও বাড়ছে। শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ ব্যক্তিরা সবচেয়ে বেশি কষ্টে রয়েছেন।
এদিকে পরিস্থিতি মোকাবিলায় পানি নিষ্কাশনের কাজ চলছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন ও পৌর কর্তৃপক্ষ। তবে দ্রুত জলাবদ্ধতা নিরসন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে জরুরি ত্রাণ, বিশুদ্ধ পানি ও চিকিৎসা সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয়দের আশঙ্কা, আগামী কয়েকদিন বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন