২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে তামাক ও তামাকজাত পণ্যের কর এবং মূল্য কাঠামো জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য যথেষ্ট কার্যকর নয় বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ঢাকা আহছানিয়া মিশন। সংগঠনটির দাবি, প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবায়িত হলে তামাকপণ্য আরও সহজলভ্য হয়ে উঠবে, যা ধূমপায়ীর সংখ্যা বৃদ্ধির ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
মঙ্গলবার (১৭ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে আহছানিয়া মিশন জানায়, তামাকপণ্যের মূল্য ও কর কাঠামোয় কার্যকর সংস্কার না হওয়ায় বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে সিগারেট ও অন্যান্য তামাকজাত পণ্য থেকে যাচ্ছে। ফলে নতুন ব্যবহারকারী, বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে তামাক ব্যবহারের প্রবণতা বাড়তে পারে।
সংগঠনটি আরও বলেছে, তামাকজনিত রোগে প্রতি বছর বিপুল সংখ্যক মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে। অথচ তামাকপণ্যের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি না পাওয়ায় জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন কঠিন হয়ে পড়বে।
আহছানিয়া মিশনের মতে, তামাকপণ্যের ওপর কার্যকর কর বৃদ্ধি এবং বিদ্যমান বহুমাত্রিক মূল্যস্তর সহজ করা হলে একদিকে যেমন তামাকের ব্যবহার কমবে, অন্যদিকে সরকারের রাজস্ব আয়ও বাড়বে। এ কারণে জাতীয় বাজেট পাসের আগে তামাক কর ও মূল্য কাঠামো পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তামাক নিয়ন্ত্রণে মূল্য বৃদ্ধি ও উচ্চ কর আরোপ বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত একটি কার্যকর পদ্ধতি। তাই স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তামাকের ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে আরও কঠোর করনীতি প্রয়োজন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুন ২০২৬
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে তামাক ও তামাকজাত পণ্যের কর এবং মূল্য কাঠামো জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য যথেষ্ট কার্যকর নয় বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ঢাকা আহছানিয়া মিশন। সংগঠনটির দাবি, প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবায়িত হলে তামাকপণ্য আরও সহজলভ্য হয়ে উঠবে, যা ধূমপায়ীর সংখ্যা বৃদ্ধির ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
মঙ্গলবার (১৭ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে আহছানিয়া মিশন জানায়, তামাকপণ্যের মূল্য ও কর কাঠামোয় কার্যকর সংস্কার না হওয়ায় বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে সিগারেট ও অন্যান্য তামাকজাত পণ্য থেকে যাচ্ছে। ফলে নতুন ব্যবহারকারী, বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে তামাক ব্যবহারের প্রবণতা বাড়তে পারে।
সংগঠনটি আরও বলেছে, তামাকজনিত রোগে প্রতি বছর বিপুল সংখ্যক মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে। অথচ তামাকপণ্যের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি না পাওয়ায় জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন কঠিন হয়ে পড়বে।
আহছানিয়া মিশনের মতে, তামাকপণ্যের ওপর কার্যকর কর বৃদ্ধি এবং বিদ্যমান বহুমাত্রিক মূল্যস্তর সহজ করা হলে একদিকে যেমন তামাকের ব্যবহার কমবে, অন্যদিকে সরকারের রাজস্ব আয়ও বাড়বে। এ কারণে জাতীয় বাজেট পাসের আগে তামাক কর ও মূল্য কাঠামো পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তামাক নিয়ন্ত্রণে মূল্য বৃদ্ধি ও উচ্চ কর আরোপ বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত একটি কার্যকর পদ্ধতি। তাই স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তামাকের ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে আরও কঠোর করনীতি প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন