ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

জাটকা ও মা ইলিশ রক্ষায় নজরদারি বাড়ানোর আহ্বান


নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৬ জুন ২০২৬

জাটকা ও মা ইলিশ রক্ষায় নজরদারি বাড়ানোর আহ্বান
ছবি : সংগৃহীত

ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে ক্ষতিকর ও নিষিদ্ধ জাল উৎপাদনের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

সোমবার রাজধানীতে অনুষ্ঠিত “জাটকা ও মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ২০২৫-২৬-এর মূল্যায়ন ও ভবিষ্যৎ করণীয়” শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশনা দেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইলিশের উৎপাদন ও সংরক্ষণে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে এমন বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর জাল ব্যবহার করে ইলিশসহ অন্যান্য মাছ আহরণ করা হচ্ছে। ফলে মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ও উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।

তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এসব জাল উৎপাদনকারী কারখানা ও বাজারের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেন। বিশেষ করে যেখানে এ ধরনের জাল উৎপাদন ও বিক্রি বেশি হয়, সেখানে কঠোর নজরদারি বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইলিশ বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ এবং এটি দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) স্বীকৃত পণ্য। ইলিশকেন্দ্রিক অর্থনীতির সঙ্গে লাখো মানুষের জীবিকা জড়িত। তাই ইলিশের টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করতে জাটকা সংরক্ষণ, মা ইলিশ রক্ষা এবং অবৈধ জাল ব্যবহারের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি।

তিনি আরও জানান, সরকার জেলেদের জন্য বিভিন্ন সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

কর্মশালায় মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তারা ইলিশ সংরক্ষণে চলমান কার্যক্রমের অগ্রগতি তুলে ধরেন এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে মতামত প্রদান করেন।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


জাটকা ও মা ইলিশ রক্ষায় নজরদারি বাড়ানোর আহ্বান

প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬

featured Image

ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে ক্ষতিকর ও নিষিদ্ধ জাল উৎপাদনের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

সোমবার রাজধানীতে অনুষ্ঠিত “জাটকা ও মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ২০২৫-২৬-এর মূল্যায়ন ও ভবিষ্যৎ করণীয়” শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশনা দেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইলিশের উৎপাদন ও সংরক্ষণে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে এমন বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর জাল ব্যবহার করে ইলিশসহ অন্যান্য মাছ আহরণ করা হচ্ছে। ফলে মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ও উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।

তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এসব জাল উৎপাদনকারী কারখানা ও বাজারের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেন। বিশেষ করে যেখানে এ ধরনের জাল উৎপাদন ও বিক্রি বেশি হয়, সেখানে কঠোর নজরদারি বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইলিশ বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ এবং এটি দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) স্বীকৃত পণ্য। ইলিশকেন্দ্রিক অর্থনীতির সঙ্গে লাখো মানুষের জীবিকা জড়িত। তাই ইলিশের টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করতে জাটকা সংরক্ষণ, মা ইলিশ রক্ষা এবং অবৈধ জাল ব্যবহারের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি।

তিনি আরও জানান, সরকার জেলেদের জন্য বিভিন্ন সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

কর্মশালায় মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তারা ইলিশ সংরক্ষণে চলমান কার্যক্রমের অগ্রগতি তুলে ধরেন এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে মতামত প্রদান করেন।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ