তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ফ্যাসিবাদ-উত্তর বাংলাদেশে গণমাধ্যম কমিশনকে দেশের সবচেয়ে শক্তিশালী ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, কমিশনকে প্রয়োজনীয় ক্ষমতা ও স্বাধীনতা দেওয়া হলে এটি গণমাধ্যমের জবাবদিহি, স্বচ্ছতা এবং পেশাগত মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। এ লক্ষ্যে একটি জাতীয় কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ চলছে, যেখানে সাংবাদিকদের অধিকার, কর্মপরিবেশ এবং আর্থিক সুরক্ষার বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সময়ে মূলধারার গণমাধ্যমের পাশাপাশি নাগরিক সাংবাদিকতা (সিটিজেন জার্নালিজম) গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তাই নতুন বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গণমাধ্যম খাতের উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থাকে আধুনিকায়ন করা প্রয়োজন।
তথ্যমন্ত্রী গণমাধ্যম মালিকদের প্রতিও আহ্বান জানিয়ে বলেন, সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের ন্যায্য অধিকার, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং পেশাগত মর্যাদা নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানগুলোকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
সভায় বক্তারা বলেন, একটি স্বাধীন, শক্তিশালী ও জবাবদিহিমূলক গণমাধ্যম কমিশন প্রতিষ্ঠা করা গেলে দেশের সংবাদমাধ্যম আরও দায়িত্বশীল ও জনমুখী হয়ে উঠবে। তবে কমিশনের কাঠামো, ক্ষমতা ও কার্যপরিধি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টদের মতে, কমিশনের স্বাধীনতা ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করা গেলে এটি দেশের গণমাধ্যম খাতের সংস্কার এবং সাংবাদিকতার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হতে পারে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ফ্যাসিবাদ-উত্তর বাংলাদেশে গণমাধ্যম কমিশনকে দেশের সবচেয়ে শক্তিশালী ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, কমিশনকে প্রয়োজনীয় ক্ষমতা ও স্বাধীনতা দেওয়া হলে এটি গণমাধ্যমের জবাবদিহি, স্বচ্ছতা এবং পেশাগত মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। এ লক্ষ্যে একটি জাতীয় কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ চলছে, যেখানে সাংবাদিকদের অধিকার, কর্মপরিবেশ এবং আর্থিক সুরক্ষার বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সময়ে মূলধারার গণমাধ্যমের পাশাপাশি নাগরিক সাংবাদিকতা (সিটিজেন জার্নালিজম) গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তাই নতুন বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গণমাধ্যম খাতের উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থাকে আধুনিকায়ন করা প্রয়োজন।
তথ্যমন্ত্রী গণমাধ্যম মালিকদের প্রতিও আহ্বান জানিয়ে বলেন, সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের ন্যায্য অধিকার, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং পেশাগত মর্যাদা নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানগুলোকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
সভায় বক্তারা বলেন, একটি স্বাধীন, শক্তিশালী ও জবাবদিহিমূলক গণমাধ্যম কমিশন প্রতিষ্ঠা করা গেলে দেশের সংবাদমাধ্যম আরও দায়িত্বশীল ও জনমুখী হয়ে উঠবে। তবে কমিশনের কাঠামো, ক্ষমতা ও কার্যপরিধি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টদের মতে, কমিশনের স্বাধীনতা ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করা গেলে এটি দেশের গণমাধ্যম খাতের সংস্কার এবং সাংবাদিকতার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন