লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের ফলিমারী গ্রামে শিশু নন্দিনী হত্যার ঘটনায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ জনতার সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে পুলিশ সুপার (এসপি), থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)সহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিশু নন্দিনীর হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী দ্রুত বিচার ও জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীরা সড়ক অবরোধ ও বিভিন্ন স্থানে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষে পুলিশ সুপার, আদিতমারী থানার ওসি এবং কয়েকজন পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে স্থানীয় হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান শুরু করেছে। জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পরিস্থিতি শান্ত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।
বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। শিশু নন্দিনীর হত্যার ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে, পাশাপাশি দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের ফলিমারী গ্রামে শিশু নন্দিনী হত্যার ঘটনায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ জনতার সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে পুলিশ সুপার (এসপি), থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)সহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিশু নন্দিনীর হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী দ্রুত বিচার ও জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীরা সড়ক অবরোধ ও বিভিন্ন স্থানে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষে পুলিশ সুপার, আদিতমারী থানার ওসি এবং কয়েকজন পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে স্থানীয় হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান শুরু করেছে। জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পরিস্থিতি শান্ত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।
বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। শিশু নন্দিনীর হত্যার ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে, পাশাপাশি দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন