পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর শেয়ারে টানা তিন কার্যদিবস বিক্রেতা সংকট থাকার পর অবশেষে বিক্রেতার দেখা মিলেছে। এর ফলে ব্যাংকটির শেয়ারের দামও কিছুটা কমেছে। ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের পর প্রথম দুই কার্যদিবসে শেয়ারটিতে ক্রেতা সংকট দেখা দেয়। তবে পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তন হয়ে পরবর্তী কয়েক দিন বিক্রেতা সংকট তৈরি হয়। বাজারে বিক্রেতা না থাকায় শেয়ারটির দাম ধারাবাহিকভাবে বাড়তে থাকে এবং বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যায়। বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, দীর্ঘ সময় বিক্রেতা সংকট থাকার কারণে শেয়ারটির সরবরাহ সীমিত হয়ে পড়েছিল। তবে টানা তিন দিন পর কিছু বিনিয়োগকারী মুনাফা তুলে নিতে শেয়ার বিক্রির সিদ্ধান্ত নিলে বাজারে বিক্রেতার উপস্থিতি বাড়ে। এর প্রভাবেই শেয়ারটির দর নিম্নমুখী হয়। বিশ্লেষকদের মতে, কোনো শেয়ারের দাম দ্রুত বাড়লে স্বাভাবিকভাবেই এক পর্যায়ে বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ মুনাফা তুলে নিতে চান। ফলে বিক্রির চাপ তৈরি হয় এবং দামে সংশোধন আসে। ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারের ক্ষেত্রেও একই ধরনের পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে। এদিকে শেয়ারটির অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে বাজারে আলোচনা চলছে। সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার নজরদারি এবং বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থানের মধ্যেই ব্যাংকটির শেয়ারে নতুন করে বিক্রেতার উপস্থিতি দেখা গেল। বাজার পর্যবেক্ষকদের ধারণা, আগামী কয়েক কার্যদিবসে ক্রেতা ও বিক্রেতার অংশগ্রহণের ওপর নির্ভর করবে শেয়ারটির পরবর্তী গতিপথ।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর শেয়ারে টানা তিন কার্যদিবস বিক্রেতা সংকট থাকার পর অবশেষে বিক্রেতার দেখা মিলেছে। এর ফলে ব্যাংকটির শেয়ারের দামও কিছুটা কমেছে। ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের পর প্রথম দুই কার্যদিবসে শেয়ারটিতে ক্রেতা সংকট দেখা দেয়। তবে পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তন হয়ে পরবর্তী কয়েক দিন বিক্রেতা সংকট তৈরি হয়। বাজারে বিক্রেতা না থাকায় শেয়ারটির দাম ধারাবাহিকভাবে বাড়তে থাকে এবং বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যায়। বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, দীর্ঘ সময় বিক্রেতা সংকট থাকার কারণে শেয়ারটির সরবরাহ সীমিত হয়ে পড়েছিল। তবে টানা তিন দিন পর কিছু বিনিয়োগকারী মুনাফা তুলে নিতে শেয়ার বিক্রির সিদ্ধান্ত নিলে বাজারে বিক্রেতার উপস্থিতি বাড়ে। এর প্রভাবেই শেয়ারটির দর নিম্নমুখী হয়। বিশ্লেষকদের মতে, কোনো শেয়ারের দাম দ্রুত বাড়লে স্বাভাবিকভাবেই এক পর্যায়ে বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ মুনাফা তুলে নিতে চান। ফলে বিক্রির চাপ তৈরি হয় এবং দামে সংশোধন আসে। ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারের ক্ষেত্রেও একই ধরনের পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে। এদিকে শেয়ারটির অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে বাজারে আলোচনা চলছে। সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার নজরদারি এবং বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থানের মধ্যেই ব্যাংকটির শেয়ারে নতুন করে বিক্রেতার উপস্থিতি দেখা গেল। বাজার পর্যবেক্ষকদের ধারণা, আগামী কয়েক কার্যদিবসে ক্রেতা ও বিক্রেতার অংশগ্রহণের ওপর নির্ভর করবে শেয়ারটির পরবর্তী গতিপথ।

আপনার মতামত লিখুন