দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, জনসেবা সম্প্রসারণ এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা ব্যয়সংবলিত ৫টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন করেছে। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে সড়ক ও যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন, পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা, জনকল্যাণমূলক সেবা সম্প্রসারণ এবং আঞ্চলিক উন্নয়নসংক্রান্ত বিভিন্ন উদ্যোগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে, নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। এসব প্রকল্পের অর্থায়ন সরকারি তহবিল, বৈদেশিক সহায়তা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নের সমন্বয়ে করা হবে।
সভায় প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। একই সঙ্গে ব্যয় নিয়ন্ত্রণ ও কার্যকর তদারকির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা করছেন, অনুমোদিত প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের টেকসই উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও সম্প্রসারিত হবে এবং জনসেবার মান উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, জনসেবা সম্প্রসারণ এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা ব্যয়সংবলিত ৫টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন করেছে। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে সড়ক ও যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন, পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা, জনকল্যাণমূলক সেবা সম্প্রসারণ এবং আঞ্চলিক উন্নয়নসংক্রান্ত বিভিন্ন উদ্যোগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে, নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। এসব প্রকল্পের অর্থায়ন সরকারি তহবিল, বৈদেশিক সহায়তা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নের সমন্বয়ে করা হবে।
সভায় প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। একই সঙ্গে ব্যয় নিয়ন্ত্রণ ও কার্যকর তদারকির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা করছেন, অনুমোদিত প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের টেকসই উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও সম্প্রসারিত হবে এবং জনসেবার মান উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।

আপনার মতামত লিখুন