ইতালিতে অবৈধভাবে লোক পাঠানোর একটি চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এক কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ উপায়ে বিদেশে লোক পাঠানোর কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়। সিআইডির প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, অভিযুক্ত কর্মকর্তা একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্য হিসেবে কাজ করতেন। চক্রটি বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে ইতালিতে কর্মসংস্থানের সুযোগ দেওয়ার কথা বলে লোকজনের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আদায় করত। পরে অবৈধ কাগজপত্র, ভুয়া তথ্য অথবা অনিয়মিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের বিদেশে পাঠানোর চেষ্টা করা হতো বলে অভিযোগ রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, এ ঘটনায় আরও কয়েকজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে চক্রটির আর্থিক লেনদেন এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগের বিষয়েও তদন্ত চলছে। সিআইডি বলছে, মানবপাচার ও অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে সরকারের ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতির অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। তদন্ত শেষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে, ঘটনাটি নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষও খোঁজখবর নিচ্ছে বলে জানা গেছে। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে। তদন্তের স্বার্থে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য আপাতত প্রকাশ করা হয়নি। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার গ্রেপ্তারকে কেন্দ্র করে অবৈধ অভিবাসন চক্রের কার্যক্রম নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
ইতালিতে অবৈধভাবে লোক পাঠানোর একটি চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এক কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ উপায়ে বিদেশে লোক পাঠানোর কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়। সিআইডির প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, অভিযুক্ত কর্মকর্তা একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্য হিসেবে কাজ করতেন। চক্রটি বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে ইতালিতে কর্মসংস্থানের সুযোগ দেওয়ার কথা বলে লোকজনের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আদায় করত। পরে অবৈধ কাগজপত্র, ভুয়া তথ্য অথবা অনিয়মিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের বিদেশে পাঠানোর চেষ্টা করা হতো বলে অভিযোগ রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, এ ঘটনায় আরও কয়েকজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে চক্রটির আর্থিক লেনদেন এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগের বিষয়েও তদন্ত চলছে। সিআইডি বলছে, মানবপাচার ও অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে সরকারের ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতির অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। তদন্ত শেষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে, ঘটনাটি নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষও খোঁজখবর নিচ্ছে বলে জানা গেছে। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে। তদন্তের স্বার্থে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য আপাতত প্রকাশ করা হয়নি। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার গ্রেপ্তারকে কেন্দ্র করে অবৈধ অভিবাসন চক্রের কার্যক্রম নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন