রামগঞ্জ পৌর শহরের সোনাইমুড়ি সড়ক ও পুলিশ বক্স এলাকার পাঁচটি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার দিবাগত গভীর রাতে চোরের দল এই পাঁচটি দোকান থেকে নগদ সাড়ে পাঁচ লাখ টাকাসহ বিভিন্ন কোম্পানির এজেন্ট সিম ও মূল্যবান মালামাল লুটে নেয়। এছাড়া একই রাতে উপজেলার ভাটরা ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামের ভাটের বাড়ীর রফিকুল ইসলামের বসতঘরে কেউ না থাকার সুযোগে চোরের দল হানা দিয়ে নগদ টাকাসহ প্রায় দেড় লাখ টাকার মালামাল লুটে নেয়।
সোনাইমুড়ি সড়কের চৌমুহুনি ভ্যারাইটিজ স্টোরের মালিক মো. ইউসুফ জানান, রাতের কোনো এক সময় দোকানের পেছনের টিনের চালা কেটে চোরেরা নগদ আট হাজার টাকা নিয়ে যায়। পৌর সুপার মার্কেটের রাজু অ্যান্ড ব্রাদার্সের মালিক মো. সুজন জানান, বিকাশ ও নগদের সিমসহ নগদ প্রায় দুই লাখ টাকা ও মালামাল চুরি হয়েছে।
আল ফরিদ ড্রাগ হাউজের মালিক শেখ ফরিদ জানান, একই পন্থায় তাঁর দোকান থেকে নগদ এক লাখ টাকা নিয়ে যাওয়া হয়। এছাড়া বাস টার্মিনাল এলাকার রাজু অটো মিশুক থেকে নগদ এক লাখ বিরানব্বই হাজার টাকা ও মূল্যবান মালামাল এবং বিসমিল্লাহ হার্ডওয়ার থেকে টিন কেটে দোকানে ঢুকে নগদ আট হাজার টাকা নিয়ে যায় চোরের দল।
রাজু অ্যান্ড ব্রাদার্সের মালিক মো. সুজন আরও জানান, তিনি তাঁর মাকে নিয়ে ঢাকার একটি হাসপাতালে রয়েছেন। রাত দুইটায় দোকান বন্ধ করে তাঁর ছোট ভাই মোহন বাড়িতে চলে যান। সকালে এসে দেখা যায় দোকানের চালা কেটে নগদ প্রায় দুই লাখ টাকাসহ বিকাশ ও নগদের সিমসহ মোবাইল রিচার্জ কার্ড নিয়ে গেছে চোরের দল। তিনি জানান, পৌর সুপার মার্কেট এলাকায় সকাল পর্যন্ত দোকান খোলা থাকে।
এ বিষয়ে রামগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আবদুল বারী জানান, তিনি বিষয়টি জানতে পেরেছেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শনের জন্য উপ-পরিদর্শক মো. স্বপনকে পাঠানো হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ নভেম্বর ২০২৫
রামগঞ্জ পৌর শহরের সোনাইমুড়ি সড়ক ও পুলিশ বক্স এলাকার পাঁচটি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার দিবাগত গভীর রাতে চোরের দল এই পাঁচটি দোকান থেকে নগদ সাড়ে পাঁচ লাখ টাকাসহ বিভিন্ন কোম্পানির এজেন্ট সিম ও মূল্যবান মালামাল লুটে নেয়। এছাড়া একই রাতে উপজেলার ভাটরা ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামের ভাটের বাড়ীর রফিকুল ইসলামের বসতঘরে কেউ না থাকার সুযোগে চোরের দল হানা দিয়ে নগদ টাকাসহ প্রায় দেড় লাখ টাকার মালামাল লুটে নেয়।
সোনাইমুড়ি সড়কের চৌমুহুনি ভ্যারাইটিজ স্টোরের মালিক মো. ইউসুফ জানান, রাতের কোনো এক সময় দোকানের পেছনের টিনের চালা কেটে চোরেরা নগদ আট হাজার টাকা নিয়ে যায়। পৌর সুপার মার্কেটের রাজু অ্যান্ড ব্রাদার্সের মালিক মো. সুজন জানান, বিকাশ ও নগদের সিমসহ নগদ প্রায় দুই লাখ টাকা ও মালামাল চুরি হয়েছে।
আল ফরিদ ড্রাগ হাউজের মালিক শেখ ফরিদ জানান, একই পন্থায় তাঁর দোকান থেকে নগদ এক লাখ টাকা নিয়ে যাওয়া হয়। এছাড়া বাস টার্মিনাল এলাকার রাজু অটো মিশুক থেকে নগদ এক লাখ বিরানব্বই হাজার টাকা ও মূল্যবান মালামাল এবং বিসমিল্লাহ হার্ডওয়ার থেকে টিন কেটে দোকানে ঢুকে নগদ আট হাজার টাকা নিয়ে যায় চোরের দল।
রাজু অ্যান্ড ব্রাদার্সের মালিক মো. সুজন আরও জানান, তিনি তাঁর মাকে নিয়ে ঢাকার একটি হাসপাতালে রয়েছেন। রাত দুইটায় দোকান বন্ধ করে তাঁর ছোট ভাই মোহন বাড়িতে চলে যান। সকালে এসে দেখা যায় দোকানের চালা কেটে নগদ প্রায় দুই লাখ টাকাসহ বিকাশ ও নগদের সিমসহ মোবাইল রিচার্জ কার্ড নিয়ে গেছে চোরের দল। তিনি জানান, পৌর সুপার মার্কেট এলাকায় সকাল পর্যন্ত দোকান খোলা থাকে।
এ বিষয়ে রামগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আবদুল বারী জানান, তিনি বিষয়টি জানতে পেরেছেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শনের জন্য উপ-পরিদর্শক মো. স্বপনকে পাঠানো হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি।

আপনার মতামত লিখুন