কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর সীমান্ত দিয়ে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১২ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বিজিবির কঠোর অবস্থানের মুখে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হলে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের পুনরায় ভারতে ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয় বিএসএফ। রোববার (১৫ জুন) সীমান্তের প্রাগপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিজিবি সূত্র জানায়, সীমান্তে সন্দেহজনক চলাচলের তথ্য পেয়ে সদস্যরা সতর্ক অবস্থান নেন। এ সময় ভারতীয় সীমান্ত থেকে কয়েকজনকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হলে বিজিবি তাৎক্ষণিকভাবে বাধা দেয়। পরে বিষয়টি নিয়ে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিজিবি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয়, যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ ছাড়া কোনো ব্যক্তিকে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। একপর্যায়ে বিএসএফ ওই ১২ জনকে নিজেদের হেফাজতে ফিরিয়ে নেয়। বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও পুশইনের যেকোনো চেষ্টা প্রতিরোধে তারা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। পাশাপাশি সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এ ঘটনায় সীমান্ত এলাকায় কিছু সময় উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বিজিবির তৎপরতাকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং সীমান্ত নিরাপত্তা আরও জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর সীমান্ত দিয়ে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১২ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বিজিবির কঠোর অবস্থানের মুখে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হলে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের পুনরায় ভারতে ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয় বিএসএফ। রোববার (১৫ জুন) সীমান্তের প্রাগপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিজিবি সূত্র জানায়, সীমান্তে সন্দেহজনক চলাচলের তথ্য পেয়ে সদস্যরা সতর্ক অবস্থান নেন। এ সময় ভারতীয় সীমান্ত থেকে কয়েকজনকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হলে বিজিবি তাৎক্ষণিকভাবে বাধা দেয়। পরে বিষয়টি নিয়ে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিজিবি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয়, যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ ছাড়া কোনো ব্যক্তিকে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। একপর্যায়ে বিএসএফ ওই ১২ জনকে নিজেদের হেফাজতে ফিরিয়ে নেয়। বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও পুশইনের যেকোনো চেষ্টা প্রতিরোধে তারা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। পাশাপাশি সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এ ঘটনায় সীমান্ত এলাকায় কিছু সময় উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বিজিবির তৎপরতাকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং সীমান্ত নিরাপত্তা আরও জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন