যশোরের চৌগাছা উপজেলায় রাজনৈতিক বিরোধের জেরে জুয়েল আহমেদ রানা (৩৫) নামে এক যুবককে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার পাতিবিলা ইউনিয়নের মুক্তদাহ মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় রাজনৈতিক বিরোধকে কেন্দ্র করে কয়েকটি পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার সকালে জুয়েল আহমেদ রানা মুক্তদাহ মোড় এলাকায় অবস্থানকালে একদল দুর্বৃত্ত তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে এবং লাঠিসোটা দিয়ে বেধড়ক মারধর করে গুরুতর আহত করে।
রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার উদ্যোগ নিলে পথেই তার মৃত্যু হয় বলে জানা যায়। ঘটনার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে চরম উত্তেজনা দেখা দেয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নিহত জুয়েল আহমেদ রানার পরিবারের সদস্যরা এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে, ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
যশোরের চৌগাছা উপজেলায় রাজনৈতিক বিরোধের জেরে জুয়েল আহমেদ রানা (৩৫) নামে এক যুবককে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার পাতিবিলা ইউনিয়নের মুক্তদাহ মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় রাজনৈতিক বিরোধকে কেন্দ্র করে কয়েকটি পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার সকালে জুয়েল আহমেদ রানা মুক্তদাহ মোড় এলাকায় অবস্থানকালে একদল দুর্বৃত্ত তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে এবং লাঠিসোটা দিয়ে বেধড়ক মারধর করে গুরুতর আহত করে।
রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার উদ্যোগ নিলে পথেই তার মৃত্যু হয় বলে জানা যায়। ঘটনার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে চরম উত্তেজনা দেখা দেয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নিহত জুয়েল আহমেদ রানার পরিবারের সদস্যরা এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে, ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন