ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

৫ ঘণ্টার পথ ১৩ ঘণ্টা, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা


নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১১ জুন ২০২৬

৫ ঘণ্টার পথ ১৩ ঘণ্টা, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা
ছবি : সংগৃহীত

দেশের অন্যতম ব্যস্ত ও গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট ও সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা। যে পথে সাধারণত ৪ থেকে ৫ ঘণ্টায় গন্তব্যে পৌঁছানো যায়, সেখানে এখন সময় লাগছে ১২ থেকে ১৩ ঘণ্টা, কখনও কখনও তারও বেশি।

মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে চলমান সংস্কার ও উন্নয়নকাজ, ভাঙাচোরা রাস্তা এবং যানবাহনের অতিরিক্ত চাপের কারণে প্রতিদিনই সৃষ্টি হচ্ছে দীর্ঘ যানজট। বিশেষ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল, আশুগঞ্জ এবং নরসিংদীর বিভিন্ন এলাকায় যানবাহনের ধীরগতি ও থেমে থেমে চলাচল এখন নিত্যদিনের চিত্র।

সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত, অপরিকল্পিত খোঁড়াখুঁড়ি এবং উন্নয়নকাজের কারণে যানবাহনকে অনেক সময় এক লেনে চলাচল করতে হচ্ছে। ফলে সামান্য চাপেই কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। এতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকছেন যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকরা।

যাত্রীদের অভিযোগ, স্বাভাবিক একটি যাত্রা এখন রীতিমতো ভোগান্তির প্রতিশব্দ হয়ে উঠেছে। নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে না পারায় ব্যক্তিগত, ব্যবসায়িক ও চিকিৎসাসংক্রান্ত কাজ ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি অতিরিক্ত জ্বালানি খরচ ও সময় অপচয়ের কারণে বাড়ছে আর্থিক ক্ষতিও।

পরিবহন সংশ্লিষ্টদের মতে, ঈদ-পরবর্তী সময়েও মহাসড়কে যানবাহনের চাপ স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি রয়েছে। এর সঙ্গে উন্নয়নকাজের ধীরগতি এবং কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার অভাব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

সংশ্লিষ্টদের দাবি, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ককে ছয় লেনে উন্নীত করার কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা গেলে যানজট অনেকাংশে কমবে এবং যাত্রীদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটবে। তবে কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কে ভোগান্তি অব্যাহত থাকার আশঙ্কাই বেশি।



এস.আর 

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


৫ ঘণ্টার পথ ১৩ ঘণ্টা, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা

প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬

featured Image

দেশের অন্যতম ব্যস্ত ও গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট ও সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা। যে পথে সাধারণত ৪ থেকে ৫ ঘণ্টায় গন্তব্যে পৌঁছানো যায়, সেখানে এখন সময় লাগছে ১২ থেকে ১৩ ঘণ্টা, কখনও কখনও তারও বেশি।

মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে চলমান সংস্কার ও উন্নয়নকাজ, ভাঙাচোরা রাস্তা এবং যানবাহনের অতিরিক্ত চাপের কারণে প্রতিদিনই সৃষ্টি হচ্ছে দীর্ঘ যানজট। বিশেষ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল, আশুগঞ্জ এবং নরসিংদীর বিভিন্ন এলাকায় যানবাহনের ধীরগতি ও থেমে থেমে চলাচল এখন নিত্যদিনের চিত্র।

সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত, অপরিকল্পিত খোঁড়াখুঁড়ি এবং উন্নয়নকাজের কারণে যানবাহনকে অনেক সময় এক লেনে চলাচল করতে হচ্ছে। ফলে সামান্য চাপেই কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। এতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকছেন যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকরা।

যাত্রীদের অভিযোগ, স্বাভাবিক একটি যাত্রা এখন রীতিমতো ভোগান্তির প্রতিশব্দ হয়ে উঠেছে। নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে না পারায় ব্যক্তিগত, ব্যবসায়িক ও চিকিৎসাসংক্রান্ত কাজ ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি অতিরিক্ত জ্বালানি খরচ ও সময় অপচয়ের কারণে বাড়ছে আর্থিক ক্ষতিও।

পরিবহন সংশ্লিষ্টদের মতে, ঈদ-পরবর্তী সময়েও মহাসড়কে যানবাহনের চাপ স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি রয়েছে। এর সঙ্গে উন্নয়নকাজের ধীরগতি এবং কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার অভাব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

সংশ্লিষ্টদের দাবি, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ককে ছয় লেনে উন্নীত করার কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা গেলে যানজট অনেকাংশে কমবে এবং যাত্রীদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটবে। তবে কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কে ভোগান্তি অব্যাহত থাকার আশঙ্কাই বেশি।



এস.আর 


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ