শ্রীলঙ্কায় ২০১৯ সালের ইস্টার সানডের ভয়াবহ বোমা হামলায় দেশটির সাবেক গোয়েন্দা প্রধান মেজর জেনারেল সুরেশ সাল্লের সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার পার্লামেন্টে দেওয়া বক্তব্যে জননিরাপত্তা মন্ত্রী আনন্দ উইজেপালা জানান, হামলার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে তিনি নির্দেশনামূলক ভূমিকা পালন করেছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, হামলায় সহায়তা ও প্ররোচনার অভিযোগে গত ফেব্রুয়ারিতে গ্রেপ্তার হওয়া সুরেশ সাল্লে ক্যাথলিক গির্জাগুলোকে হামলার লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করেছিলেন। তদন্তে ইসলামপন্থি উগ্রবাদীদের সঙ্গে তার যোগাযোগ ও ষড়যন্ত্রের তথ্য পাওয়া গেছে। হামলার আগমুহূর্ত পর্যন্ত তিনি কৌশলগত নির্দেশনা দিয়ে গেছেন বলেও তদন্তে উঠে এসেছে।
উইজেপালার ভাষ্য অনুযায়ী, হামলার প্রায় তিন সপ্তাহ আগে কয়েকজন মুসলিম ব্যক্তির সঙ্গে বৈঠক করে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু এবং সেখানে উপস্থিত ধর্মীয় উপাসকদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করেছিলেন সাল্লে।
তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সাবেক এই গোয়েন্দা কর্মকর্তা। তার আইনজীবীর মাধ্যমে জানানো হয়েছে, তিনি এ ঘটনায় জড়িত নন। জননিরাপত্তা মন্ত্রী আরও জানান, সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ আইনে আটক অবস্থায় অনশন শুরু করলে গত রোববার তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এদিকে, রাজধানী কলম্বোতে বিরোধী রাজনৈতিক কর্মীরা সাল্লের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ করছেন। তদন্তকারীরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদের পর সাবেক প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আদালতে আবেদন করলে আদালত তাতে সম্মতি দেয়।
রাজাপক্ষে ২০১৯ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর সুরেশ সাল্লেকে স্টেট ইন্টেলিজেন্স সার্ভিসের প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এর আগে তিনি সামরিক গোয়েন্দা ইউনিটেরও নেতৃত্বে ছিলেন।
শ্রীলঙ্কার ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে বিবেচিত ওই ঘটনায় রাজধানী কলম্বোর তিনটি বিলাসবহুল হোটেল, দুটি রোমান ক্যাথলিক গির্জা এবং কলম্বোর বাইরে অবস্থিত একটি ইভানজেলিক্যাল প্রোটেস্ট্যান্ট গির্জায় ধারাবাহিক বোমা বিস্ফোরণ ঘটে। হামলায় প্রাণ হারান ২৭৯ জন।
সূত্র: এনডিটিভি

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬
শ্রীলঙ্কায় ২০১৯ সালের ইস্টার সানডের ভয়াবহ বোমা হামলায় দেশটির সাবেক গোয়েন্দা প্রধান মেজর জেনারেল সুরেশ সাল্লের সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার পার্লামেন্টে দেওয়া বক্তব্যে জননিরাপত্তা মন্ত্রী আনন্দ উইজেপালা জানান, হামলার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে তিনি নির্দেশনামূলক ভূমিকা পালন করেছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, হামলায় সহায়তা ও প্ররোচনার অভিযোগে গত ফেব্রুয়ারিতে গ্রেপ্তার হওয়া সুরেশ সাল্লে ক্যাথলিক গির্জাগুলোকে হামলার লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করেছিলেন। তদন্তে ইসলামপন্থি উগ্রবাদীদের সঙ্গে তার যোগাযোগ ও ষড়যন্ত্রের তথ্য পাওয়া গেছে। হামলার আগমুহূর্ত পর্যন্ত তিনি কৌশলগত নির্দেশনা দিয়ে গেছেন বলেও তদন্তে উঠে এসেছে।
উইজেপালার ভাষ্য অনুযায়ী, হামলার প্রায় তিন সপ্তাহ আগে কয়েকজন মুসলিম ব্যক্তির সঙ্গে বৈঠক করে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু এবং সেখানে উপস্থিত ধর্মীয় উপাসকদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করেছিলেন সাল্লে।
তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সাবেক এই গোয়েন্দা কর্মকর্তা। তার আইনজীবীর মাধ্যমে জানানো হয়েছে, তিনি এ ঘটনায় জড়িত নন। জননিরাপত্তা মন্ত্রী আরও জানান, সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ আইনে আটক অবস্থায় অনশন শুরু করলে গত রোববার তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এদিকে, রাজধানী কলম্বোতে বিরোধী রাজনৈতিক কর্মীরা সাল্লের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ করছেন। তদন্তকারীরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদের পর সাবেক প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আদালতে আবেদন করলে আদালত তাতে সম্মতি দেয়।
রাজাপক্ষে ২০১৯ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর সুরেশ সাল্লেকে স্টেট ইন্টেলিজেন্স সার্ভিসের প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এর আগে তিনি সামরিক গোয়েন্দা ইউনিটেরও নেতৃত্বে ছিলেন।
শ্রীলঙ্কার ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে বিবেচিত ওই ঘটনায় রাজধানী কলম্বোর তিনটি বিলাসবহুল হোটেল, দুটি রোমান ক্যাথলিক গির্জা এবং কলম্বোর বাইরে অবস্থিত একটি ইভানজেলিক্যাল প্রোটেস্ট্যান্ট গির্জায় ধারাবাহিক বোমা বিস্ফোরণ ঘটে। হামলায় প্রাণ হারান ২৭৯ জন।
সূত্র: এনডিটিভি

আপনার মতামত লিখুন