বাংলা, ইতিহাসসহ ছয়টি বিষয়ে অনার্স কোর্স বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে— এমন খবর ও গুঞ্জনের মধ্যে এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।
ইউজিসি সূত্রে জানা গেছে, দেশের উচ্চশিক্ষাকে আরও আধুনিক, যুগোপযোগী ও কর্মমুখী করতে বিভিন্ন বিষয়ে পর্যালোচনা চলছে। তবে বাংলা, ইতিহাসসহ নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে অনার্স কার্যক্রম বন্ধ করার সিদ্ধান্ত এখনো নেওয়া হয়নি।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের আগ্রহ এবং চাকরির বাজারের চাহিদা বিবেচনায় বিভিন্ন একাডেমিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। কিন্তু এসব আলোচনাকে কেন্দ্র করে যে অনার্স কোর্স বন্ধের খবর ছড়িয়েছে, তা সঠিক নয়।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেওয়ায় ইউজিসি দায়িত্বশীল সূত্র ছাড়া কোনো তথ্য বিশ্বাস না করার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষা সংক্রান্ত যেকোনো সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
শিক্ষাবিদদের মতে, বাংলা ও ইতিহাসের মতো বিষয় দেশের ভাষা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও জাতীয় পরিচয়ের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই এ ধরনের বিষয়ে কোনো নীতিগত পরিবর্তন আনার আগে সংশ্লিষ্ট সবার মতামত ও বাস্তবতা বিবেচনায় নেওয়া হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
বাংলা, ইতিহাসসহ ছয়টি বিষয়ে অনার্স কোর্স বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে— এমন খবর ও গুঞ্জনের মধ্যে এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।
ইউজিসি সূত্রে জানা গেছে, দেশের উচ্চশিক্ষাকে আরও আধুনিক, যুগোপযোগী ও কর্মমুখী করতে বিভিন্ন বিষয়ে পর্যালোচনা চলছে। তবে বাংলা, ইতিহাসসহ নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে অনার্স কার্যক্রম বন্ধ করার সিদ্ধান্ত এখনো নেওয়া হয়নি।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের আগ্রহ এবং চাকরির বাজারের চাহিদা বিবেচনায় বিভিন্ন একাডেমিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। কিন্তু এসব আলোচনাকে কেন্দ্র করে যে অনার্স কোর্স বন্ধের খবর ছড়িয়েছে, তা সঠিক নয়।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেওয়ায় ইউজিসি দায়িত্বশীল সূত্র ছাড়া কোনো তথ্য বিশ্বাস না করার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষা সংক্রান্ত যেকোনো সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
শিক্ষাবিদদের মতে, বাংলা ও ইতিহাসের মতো বিষয় দেশের ভাষা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও জাতীয় পরিচয়ের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই এ ধরনের বিষয়ে কোনো নীতিগত পরিবর্তন আনার আগে সংশ্লিষ্ট সবার মতামত ও বাস্তবতা বিবেচনায় নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন