কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার পৌর এলাকার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব কাহেতেরটেকী মহল্লায় এক প্রবীণ ব্যক্তির মৃত্যু ঘিরে অদ্ভুত এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। বাড়িতে তখন শোকের আবহ। কিন্তু সেই শোকের মাঝেই বাজতে থাকে ঢাকঢোল, আর তাতে নাচানাচির দৃশ্যও দেখা যায়। একই সময়ে চলছিল মরদেহের গোসল ও দাফনের প্রস্তুতি। এমন দৃশ্য দেখে হতবাক হয়ে যান স্বজন ও স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, গত রোববার বার্ধক্যজনিত কারণে ১০০ বছর বয়সী শামসুদ্দিন মারা যান। পরিবারের পক্ষ থেকে পরে ঢাকঢোল বাজিয়ে শেষ বিদায় জানানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং একপর্যায়ে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
পরিবারের দাবি, মরহুম শামসুদ্দিন রেজভীয়া সুন্নি তরিকার অনুসারী ছিলেন এবং জীবদ্দশায় তাঁর এমন শেষ ইচ্ছার কথা জানিয়েছিলেন। সেই ইচ্ছা পূরণ করতেই তারা ঢাকঢোল বাজিয়ে দাফনের প্রস্তুতি নেন।
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে স্থানীয় আলেম ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা হস্তক্ষেপ করেন। পরে ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে আলোচনা শেষে পরিবার আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে এবং জানাজা ও দাফন স্বাভাবিক নিয়মে সম্পন্ন করা হয়।
স্থানীয় আলেম মাওলানা তোফাজ্জল হক রাশেদী জানান, আলোচনা শেষে পরিবার ভুল বুঝতে পেরে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে। এতে পরিস্থিতি শান্ত হয় এবং দাফন প্রক্রিয়া স্বাভাবিকভাবে শেষ হয়।
শামসুদ্দিনের ছেলে খায়রুল ইসলাম ও নাজিমুদ্দিন বলেন, বাবার শেষ ইচ্ছা হিসেবে তারা এই আয়োজন করেছিলেন। পরে আলেমদের পরামর্শে তারা স্বাভাবিক দাফনে ফিরে আসেন।
কটিয়াদী মডেল থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি শুনেছেন, তবে কোনো অভিযোগ আসেনি। পরে পুলিশ পাঠানো হলেও বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার পৌর এলাকার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব কাহেতেরটেকী মহল্লায় এক প্রবীণ ব্যক্তির মৃত্যু ঘিরে অদ্ভুত এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। বাড়িতে তখন শোকের আবহ। কিন্তু সেই শোকের মাঝেই বাজতে থাকে ঢাকঢোল, আর তাতে নাচানাচির দৃশ্যও দেখা যায়। একই সময়ে চলছিল মরদেহের গোসল ও দাফনের প্রস্তুতি। এমন দৃশ্য দেখে হতবাক হয়ে যান স্বজন ও স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, গত রোববার বার্ধক্যজনিত কারণে ১০০ বছর বয়সী শামসুদ্দিন মারা যান। পরিবারের পক্ষ থেকে পরে ঢাকঢোল বাজিয়ে শেষ বিদায় জানানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং একপর্যায়ে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
পরিবারের দাবি, মরহুম শামসুদ্দিন রেজভীয়া সুন্নি তরিকার অনুসারী ছিলেন এবং জীবদ্দশায় তাঁর এমন শেষ ইচ্ছার কথা জানিয়েছিলেন। সেই ইচ্ছা পূরণ করতেই তারা ঢাকঢোল বাজিয়ে দাফনের প্রস্তুতি নেন।
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে স্থানীয় আলেম ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা হস্তক্ষেপ করেন। পরে ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে আলোচনা শেষে পরিবার আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে এবং জানাজা ও দাফন স্বাভাবিক নিয়মে সম্পন্ন করা হয়।
স্থানীয় আলেম মাওলানা তোফাজ্জল হক রাশেদী জানান, আলোচনা শেষে পরিবার ভুল বুঝতে পেরে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে। এতে পরিস্থিতি শান্ত হয় এবং দাফন প্রক্রিয়া স্বাভাবিকভাবে শেষ হয়।
শামসুদ্দিনের ছেলে খায়রুল ইসলাম ও নাজিমুদ্দিন বলেন, বাবার শেষ ইচ্ছা হিসেবে তারা এই আয়োজন করেছিলেন। পরে আলেমদের পরামর্শে তারা স্বাভাবিক দাফনে ফিরে আসেন।
কটিয়াদী মডেল থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি শুনেছেন, তবে কোনো অভিযোগ আসেনি। পরে পুলিশ পাঠানো হলেও বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন