পঞ্চগড় সীমান্তে শূন্যরেখায় অবস্থান করা নারী ও শিশুসহ ১০ জনকে ৭০ ঘণ্টা পর সরিয়ে নিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। রোববার দিবাগত গভীর রাতে তাদের সরিয়ে নেওয়া হয় বলে জানিয়েছে স্থানীয় সূত্র ও বিজিবি।
এর মধ্য দিয়ে সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের দক্ষিণ প্রধানপাড়া সীমান্ত এলাকায় পুশইন চেষ্টাকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া দীর্ঘ অনিশ্চয়তার অবসান ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার ভোর থেকে ওই ১০ জন সীমান্ত সংলগ্ন একটি কৃষিজমিতে অবস্থান করছিলেন। বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টার পর তারা শূন্যরেখায় আটকে পড়েন এবং টানা কয়েক দিন খোলা আকাশের নিচে মানবেতর অবস্থায় সময় কাটান। এ সময় আবহাওয়া ও নিরাপত্তাজনিত কারণে তাদের জন্য কোনো ধরনের আশ্রয়ের ব্যবস্থা ছিল না।
স্থানীয় বাসিন্দা আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, বিজিবির পাহারার মধ্যেই রাতে বিএসএফ তাদের অবস্থান পর্যবেক্ষণ করে। পরে মধ্যরাতে সীমান্তের আলো বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং কিছু সময় পর কাঁটাতারের গেট খুলে ওই ব্যক্তিদের নিজেদের দিকে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।
নীলফামারী ব্যাটালিয়ন (৫৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, বিএসএফের সঙ্গে আলোচনার পর রাত আড়াইটার দিকে তাদের সরিয়ে নেওয়া হয়।
এর ফলে সীমান্তে পুশইনকে কেন্দ্র করে যে উত্তেজনা ও জটিলতা তৈরি হয়েছিল, তা আপাতত নিরসন হয়েছে বলে স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।
বিষয় : বিএসএফ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬
পঞ্চগড় সীমান্তে শূন্যরেখায় অবস্থান করা নারী ও শিশুসহ ১০ জনকে ৭০ ঘণ্টা পর সরিয়ে নিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। রোববার দিবাগত গভীর রাতে তাদের সরিয়ে নেওয়া হয় বলে জানিয়েছে স্থানীয় সূত্র ও বিজিবি।
এর মধ্য দিয়ে সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের দক্ষিণ প্রধানপাড়া সীমান্ত এলাকায় পুশইন চেষ্টাকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া দীর্ঘ অনিশ্চয়তার অবসান ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার ভোর থেকে ওই ১০ জন সীমান্ত সংলগ্ন একটি কৃষিজমিতে অবস্থান করছিলেন। বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টার পর তারা শূন্যরেখায় আটকে পড়েন এবং টানা কয়েক দিন খোলা আকাশের নিচে মানবেতর অবস্থায় সময় কাটান। এ সময় আবহাওয়া ও নিরাপত্তাজনিত কারণে তাদের জন্য কোনো ধরনের আশ্রয়ের ব্যবস্থা ছিল না।
স্থানীয় বাসিন্দা আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, বিজিবির পাহারার মধ্যেই রাতে বিএসএফ তাদের অবস্থান পর্যবেক্ষণ করে। পরে মধ্যরাতে সীমান্তের আলো বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং কিছু সময় পর কাঁটাতারের গেট খুলে ওই ব্যক্তিদের নিজেদের দিকে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।
নীলফামারী ব্যাটালিয়ন (৫৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, বিএসএফের সঙ্গে আলোচনার পর রাত আড়াইটার দিকে তাদের সরিয়ে নেওয়া হয়।
এর ফলে সীমান্তে পুশইনকে কেন্দ্র করে যে উত্তেজনা ও জটিলতা তৈরি হয়েছিল, তা আপাতত নিরসন হয়েছে বলে স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন