মিয়ানমারের প্রতারণামূলক অনলাইন কার্যক্রম পরিচালনাকারী কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে থাইল্যান্ডে আশ্রয় নেওয়া তিন বাংলাদেশি বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর দেশে ফিরবেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিএস-২১৮ ফ্লাইটে বিকেল চারটা ২০ মিনিটে তাঁদের ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। দেশে ফিরতে যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন মো. সাইদুর রহমান, রবিউল এবং মো. সোহেল রানা। বুধবার একাধিক সংবাদমাধ্যম তাঁদের প্রত্যাবাসনের পরিকল্পনার তথ্য প্রকাশ করেছে।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ভুক্তভোগী ও তাঁদের পরিবারের আবেদনের পর অনির্বাণ সারভাইভার ভয়েস ফাউন্ডেশন প্রত্যাবাসনে সহায়তার উদ্যোগ নেয়। গত ২৪ আগস্ট প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডে আবেদন করা হয়। পরবর্তী সময়ে ব্যাংককে বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম শাখাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে চিঠি পাঠানো হয়। থাইল্যান্ডের মায়ে সট এলাকায় নিরাপদ আশ্রয়ে থাকা আট বাংলাদেশির মধ্যে তিনজনের দেশে ফেরার ব্যবস্থা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
অন্য পাঁচ বাংলাদেশিকে দেশে ফেরানোর আইনি প্রক্রিয়া এখনো চলছে। তবে তাঁদের প্রত্যাবাসনের সময় চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হয়নি। ঘোষিত ফ্লাইটের সূচিও পরিবর্তিত হতে পারে; তাই তিনজন বাস্তবে ঢাকায় না পৌঁছানো পর্যন্ত তাঁরা দেশে ফিরেছেন বলে সংবাদ প্রকাশ করা যাবে না। এর আগে কম্বোডিয়া থেকে ৩০ বাংলাদেশির দেশে ফেরার ঘটনা পৃথক; দুই দেশের প্রত্যাবাসন কার্যক্রমকে এক ঘটনা হিসেবে গণনা করা হচ্ছে না।








