খাবারের বিল পরিশোধ না করে লিখে রাখার ঘটনা নিয়ে গেট চাইনিজ অ্যান্ড বাংলা রেস্টুরেন্টে নামে একটি ভাবার হোটেলের চেয়ার টেবিলসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাংচুর করেছে ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকরা।
ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার পর গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার রাঘদি ইউনিয়ন এলাকায়।
হোটেল কতৃপক্ষ এ ঘটনার জন্য রা্ঘদি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী পলাশ শেখকে দায়ী করেছেন।
জানা গেছে, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মুকসুদপুর উপজেলার রাঘদি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী পলাশ শেখ শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে নির্বাচনী জনসংযোগ শেষ করে দলীয় লোকজন নিয়ে গেট চাইনিজ অ্যান্ড বাংলা রেস্টুরেন্টে খেতে যায়।
খাওয়া শেষে বিল পরিশোধ না করে চলে যাওয়ার সময় হোটেলের ম্যানেজার খাবার বিল চান। প্রতি উত্তরে পলাশ শেখ টাকা বাকি খাতায় লিখে রাখার জন্য বলেন। ম্যানেজার অস্বীকৃতি জানালে পলাশের সাথে থাকা ২০/২৫জন কর্মী ম্যানেজারের উপর হামলা চালিয়ে মারধর শুরু করে। একপর্যায়ে তারা হোটেলের চেয়ার টেবিলসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাংচুর করে। এ সময় হোটেলের কাস্টমাররা প্রানে বা*চতে খাবার রেখে দৌড়ে পালিয়ে প্রানে বাঁচেন।
খবর পেয়ে মুকসুদপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক
এ ব্যপারে জানতে চেয়ে ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী পলাশের সাথে কথা হলে বিষয়টি সে এড়িয়ে যান।
আজ শনিবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে মুকসুদপুর থানার ওসি আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হোটেলের তিন কর্মচারীকে হেফাজতে নিয়েছে। তবে কোনো পক্ষই এ ঘটনায় অভিযোগ করেনি।
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে খাবারের বিল চাওয়ার অপরাধে হোটেলের চেয়ার টেবিলসহ আসবাবপত্র ভাংচুর








