আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতা বা পুনর্মিলনের কোনো সম্ভাবনা ব্যক্তিগতভাবে দেখছেন না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, গুরুতর অপরাধের বিচার নিশ্চিত না করে রাজনৈতিক পুনর্মিলনের আলোচনা এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়।
জাহেদ উর রহমান অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে অতীতের কর্মকাণ্ডের দায় স্বীকার বা অনুতাপ প্রকাশের পরিবর্তে বিভিন্নভাবে রাজনৈতিক উত্তেজনা ও সহিংসতায় উসকানি দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর পুনর্মিলন নিয়ে আলোচনা উঠেছিল। তবে গত দুই বছরে দলটির কর্মকাণ্ডে সেই সম্ভাবনা আরও কমেছে বলে তাঁর ধারণা। মানবতাবিরোধী অপরাধসহ গুরুতর ফৌজদারি অভিযোগের বিচারকে তিনি রাজনৈতিক সমঝোতার আলোচনার পূর্বশর্ত হিসেবে উল্লেখ করেন।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা। তিনি জানান, সরকার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার স্বার্থে তাঁকে দেশে ফিরিয়ে আনতে চায়। তবে আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কার্যক্রম ও সম্ভাব্য পুনর্মিলন নিয়ে তাঁর বক্তব্যকে ব্যক্তিগত মূল্যায়ন হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। এ বিষয়ে নতুন কোনো চূড়ান্ত সরকারি সিদ্ধান্ত ঘোষণার তথ্য পাওয়া যায়নি। আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের প্রতিক্রিয়াও প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।








