প্রায় ২১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত কক্সবাজারের আইকনিক রেলস্টেশনে উদ্বোধনের প্রায় তিন বছর পরও যাত্রীদের জন্য পরিকল্পিত অনেক সেবা চালু হয়নি। শনিবার (২৪ অক্টোবর) দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, স্টেশন ভবনে অপেক্ষাকক্ষ, রেস্তোরাঁ, হোটেলসহ বিভিন্ন সুবিধার ব্যবস্থা থাকলেও সেগুলোর বড় অংশ এখনো ব্যবহার করা যাচ্ছে না। নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ভবনের কিছু অংশ ও সরঞ্জামও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
রেলওয়ের তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় ১ লাখ ৮৭ হাজার বর্গফুট আয়তনের ছয়তলা স্টেশন ভবনটি নির্মিত হয়েছে কক্সবাজারের ঝিলংজা এলাকায়। সেখানে প্রতিদিন প্রায় ৪৬ হাজার মানুষকে সেবা দেওয়ার উপযোগী অবকাঠামো পরিকল্পনা করা হয়েছিল। কিন্তু প্রয়োজনীয় জনবলের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ নিয়ে কার্যক্রম চলছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে। বর্তমানে দোহাজারী–কক্সবাজার পথে প্রতিদিন চার জোড়া ট্রেন চললেও প্রাথমিক পরিকল্পনায় ছিল ৩১ জোড়া ট্রেন পরিচালনার লক্ষ্য।
বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মামুনুল ইসলাম জানিয়েছেন, পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগের অনুমোদন না পাওয়ায় স্টেশন পরিচালনায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রথম দরপত্রে কোনো প্রতিষ্ঠান অংশ না নেওয়ায় গত ৩০ সেপ্টেম্বর সংশোধিত শর্তে নতুন দরপত্র আহ্বান করা হয়। এতে চুক্তির মেয়াদ ১২ বছর থেকে ২০ বছর করা হয়েছে এবং কিছু আর্থিক শর্ত শিথিল হয়েছে। তবে নতুন পরিচালনাকারী নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে, এমন তথ্য পাওয়া যায়নি।








