ঢাকা থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত নতুন উড়াল রেলপথ নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে রেলপথ মন্ত্রণালয়। রাজধানীর শ্যামপুর থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত প্রস্তাবিত এই রেলপথের দৈর্ঘ্য হবে ৮১ কিলোমিটার। পুরো পথটি এলিভেটেড বা উড়ালপথে নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্পটির প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৩ হাজার ৯০১ কোটি টাকা। মঙ্গলবার সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি তুলে ধরে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন রেলপথ নির্মাণ করা হলে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত রেলপথের দূরত্ব প্রায় ৮০ কিলোমিটার কমে আসবে। ফলে যাতায়াতের সময় দেড় থেকে দুই ঘণ্টা পর্যন্ত কমতে পারে। বর্তমানে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী ট্রেনগুলোকে তুলনামূলক দীর্ঘ রেলপথ ব্যবহার করতে হয়। নতুন কর্ড লাইন নির্মাণের মাধ্যমে এই দূরত্ব কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তথ্য উপদেষ্টা জানান, সম্পূর্ণ উড়ালপথ হওয়ায় প্রকল্পটিতে প্রায় ৩২২ একর জমি সাশ্রয় হতে পারে। জমি অধিগ্রহণের পর প্রকল্প বাস্তবায়নে আনুমানিক চার বছর সময় লাগার কথা বলা হয়েছে।
তবে প্রকল্পটি এখনো পরিকল্পনা ও প্রস্তুতির পর্যায়ে রয়েছে। প্রাথমিক ব্যয় নির্ধারণ করা হলেও অর্থায়নের উৎস, নির্মাণকাজ শুরুর নির্দিষ্ট সময় এবং চূড়ান্ত অনুমোদনের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। এত বড় অঙ্কের সরকারি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে প্রকল্পের অর্থনৈতিক কার্যকারিতা, যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের সম্ভাব্য চাহিদা এবং ব্যয়ের যৌক্তিকতা যাচাই গুরুত্বপূর্ণ। পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেল যোগাযোগে বড় পরিবর্তন আসতে পারে। তবে প্রকল্পের সুবিধা ও বাস্তবায়নের সময় সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরবর্তী ঘোষণা প্রয়োজন।








