বগুড়া শহরের ইয়াকুবীয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের তহবিল থেকে ৪০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানের সাবেক সভাপতি ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি রফি নেওয়াজ খাঁন রবিন এবং বরখাস্তকৃত প্রধান শিক্ষক শাহাদত হোসেনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে।
শহরের রহমাননগর এলাকার শেখ নাসির উদ্দিনের ছেলে মহিউদ্দিন বাদী হয়ে উল্লিখিত দুইজনকে আসামি করে বগুড়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। মামলাটি আমলে নিয়ে আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মেহেদী হাসান ঘটনাটির বিষয়ে সাব-ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার নিচে নয় এমন একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে তদন্ত করে সাক্ষ্য, প্রমাণ ও মতামতসহ প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ফরিয়াদী পক্ষকে সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৫ জানুয়ারি তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, বাদী মহিউদ্দিনের মেয়ে ইয়াকুবীয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। তিনি প্রতিষ্ঠানটির অভিভাবক প্রতিনিধি। আসামিরা প্রতিষ্ঠানটির প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসি’র নামে থাকা হিসাব থেকে ২০২২ সালের ৩১ আগস্ট কমিটির অনুমোদন ছাড়া বেআইনিভাবে জনৈক ইউসুফ আলীর মাধ্যমে প্রতারণার মাধ্যমে ৪০ লাখ টাকা উত্তোলন করেন এবং কোনো উন্নয়নমূলক কাজ না করে তা আত্মসাৎ করেন।
এছাড়া ২০২৪ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি আসামি শাহাদত হোসেনের নামে প্রাইভেট দেখিয়ে ৩৫ লাখ টাকা ব্যয়ে (ঢাকা-মেট্টো-চ-১২-৩৭৩৫) একটি মাইক্রোবাস ক্রয় করে তহবিল আত্মসাতের অভিযোগও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ ডিসেম্বর ২০২৫
বগুড়া শহরের ইয়াকুবীয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের তহবিল থেকে ৪০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানের সাবেক সভাপতি ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি রফি নেওয়াজ খাঁন রবিন এবং বরখাস্তকৃত প্রধান শিক্ষক শাহাদত হোসেনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে।
শহরের রহমাননগর এলাকার শেখ নাসির উদ্দিনের ছেলে মহিউদ্দিন বাদী হয়ে উল্লিখিত দুইজনকে আসামি করে বগুড়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। মামলাটি আমলে নিয়ে আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মেহেদী হাসান ঘটনাটির বিষয়ে সাব-ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার নিচে নয় এমন একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে তদন্ত করে সাক্ষ্য, প্রমাণ ও মতামতসহ প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ফরিয়াদী পক্ষকে সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৫ জানুয়ারি তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, বাদী মহিউদ্দিনের মেয়ে ইয়াকুবীয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। তিনি প্রতিষ্ঠানটির অভিভাবক প্রতিনিধি। আসামিরা প্রতিষ্ঠানটির প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসি’র নামে থাকা হিসাব থেকে ২০২২ সালের ৩১ আগস্ট কমিটির অনুমোদন ছাড়া বেআইনিভাবে জনৈক ইউসুফ আলীর মাধ্যমে প্রতারণার মাধ্যমে ৪০ লাখ টাকা উত্তোলন করেন এবং কোনো উন্নয়নমূলক কাজ না করে তা আত্মসাৎ করেন।
এছাড়া ২০২৪ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি আসামি শাহাদত হোসেনের নামে প্রাইভেট দেখিয়ে ৩৫ লাখ টাকা ব্যয়ে (ঢাকা-মেট্টো-চ-১২-৩৭৩৫) একটি মাইক্রোবাস ক্রয় করে তহবিল আত্মসাতের অভিযোগও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন