ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

খানজাহানের দিঘিতে কুমিরের আক্রমণ, ৯ ঘণ্টা পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০২ জুন ২০২৬

খানজাহানের দিঘিতে কুমিরের আক্রমণ, ৯ ঘণ্টা পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার

বাগেরহাটের খানজাহান (র.) মাজারের দিঘিতে কুমিরের আক্রমণে নিখোঁজ হওয়া সাত বছর বয়সী ফাতেমার মরদেহ প্রায় নয় ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার ভোর ৪টা ৪০ মিনিটের দিকে মাজারের খাদেমরা রাতভর তল্লাশির একপর্যায়ে দিঘির মহিলা ঘাটের পূর্ব পাশে মরদেহটি দেখতে পান। পরে সেটি উদ্ধার করে ঘাটে আনা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফাতেমা মাজার এলাকায় বসবাসকারী এক বাকপ্রতিবন্ধী নারীর মেয়ে। প্রায় ছয় বছর আগে তার মা তাকে কোলে নিয়ে এলাকায় এসে বসবাস শুরু করেন। মানসিক ভারসাম্যহীনতা ও বাকপ্রতিবন্ধকতার কারণে ওই নারীর পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাগেরহাট সদর উপজেলার ষাটগম্বুজ ইউনিয়নের খানজাহান (র.) মাজারের দিঘির মহিলা ঘাটে এ ঘটনা ঘটে। গোসল করতে নেমে কুমিরের আক্রমণের শিকার হয় ফাতেমা। তার চিৎকার শুনে স্থানীয় বাসিন্দা ও দর্শনার্থীরা নৌকা নিয়ে দ্রুত উদ্ধার অভিযানে নামেন।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছে রাতভর তল্লাশি চালান। তবে দীর্ঘ অনুসন্ধানের পরও শিশুটিকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

ঘটনার পর থেকে ফাতেমার মা দিঘির ঘাটে নির্বাক হয়ে বসে আছেন। মেয়ের ব্যবহৃত একটি ওড়না ও পানির বোতল কোলে নিয়ে তার অপেক্ষার দৃশ্য উপস্থিত মানুষের মধ্যে গভীর আবেগের সৃষ্টি করেছে।

ঘটনার খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক রাহাদ, জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন, পুলিশ সুপার হাসান মো. নাসের রিকাবদার এবং মাজারের প্রধান খাদেম ফকির তারিকুল ইসলাম।

বিষয় : বাগেরহাট খাঞ্জাহান আলী (র) মাজার

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


খানজাহানের দিঘিতে কুমিরের আক্রমণ, ৯ ঘণ্টা পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬

featured Image

বাগেরহাটের খানজাহান (র.) মাজারের দিঘিতে কুমিরের আক্রমণে নিখোঁজ হওয়া সাত বছর বয়সী ফাতেমার মরদেহ প্রায় নয় ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার ভোর ৪টা ৪০ মিনিটের দিকে মাজারের খাদেমরা রাতভর তল্লাশির একপর্যায়ে দিঘির মহিলা ঘাটের পূর্ব পাশে মরদেহটি দেখতে পান। পরে সেটি উদ্ধার করে ঘাটে আনা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফাতেমা মাজার এলাকায় বসবাসকারী এক বাকপ্রতিবন্ধী নারীর মেয়ে। প্রায় ছয় বছর আগে তার মা তাকে কোলে নিয়ে এলাকায় এসে বসবাস শুরু করেন। মানসিক ভারসাম্যহীনতা ও বাকপ্রতিবন্ধকতার কারণে ওই নারীর পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাগেরহাট সদর উপজেলার ষাটগম্বুজ ইউনিয়নের খানজাহান (র.) মাজারের দিঘির মহিলা ঘাটে এ ঘটনা ঘটে। গোসল করতে নেমে কুমিরের আক্রমণের শিকার হয় ফাতেমা। তার চিৎকার শুনে স্থানীয় বাসিন্দা ও দর্শনার্থীরা নৌকা নিয়ে দ্রুত উদ্ধার অভিযানে নামেন।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছে রাতভর তল্লাশি চালান। তবে দীর্ঘ অনুসন্ধানের পরও শিশুটিকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

ঘটনার পর থেকে ফাতেমার মা দিঘির ঘাটে নির্বাক হয়ে বসে আছেন। মেয়ের ব্যবহৃত একটি ওড়না ও পানির বোতল কোলে নিয়ে তার অপেক্ষার দৃশ্য উপস্থিত মানুষের মধ্যে গভীর আবেগের সৃষ্টি করেছে।

ঘটনার খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক রাহাদ, জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন, পুলিশ সুপার হাসান মো. নাসের রিকাবদার এবং মাজারের প্রধান খাদেম ফকির তারিকুল ইসলাম।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ