জামালপুর পৌর এলাকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানের দাবিতে জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। রোববার (২৪ মে) সকাল ১১টার দিকে পৌরসভার ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কয়েকটি গ্রামের মানুষ সড়কে অবস্থান নিলে ওই মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে দূরপাল্লার বাসসহ অসংখ্য যানবাহন আটকে পড়ে সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট।
স্থানীয়দের অভিযোগ, জঙ্গলপাড়া, দিয়াবাড়ি, দাপুনিয়া, পূর্বপাড়া ও ফুলবাড়িয়া এলাকায় প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ পরিবার গত ১৭–১৮ বছর ধরে সামান্য বৃষ্টিতেই পানিবন্দি হয়ে পড়ছে। দীর্ঘদিন ধরে চলমান এই সমস্যার কোনো কার্যকর সমাধান হয়নি বলে দাবি তাদের।
জলাবদ্ধতার কারণে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে শিক্ষার্থী ও কর্মজীবীরা। অনেক এলাকায় রাস্তাঘাট ডুবে থাকায় চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বাড়িঘর ও ধর্মীয় স্থাপনাতেও পানি ঢুকে পড়ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পাশাপাশি সাপের উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় আতঙ্কে রয়েছেন স্থানীয়রা।
আন্দোলনে অংশ নেওয়া জঙ্গলপাড়ার বাসিন্দা শামীম আহম্মেদ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তারা ভোগান্তি সহ্য করলেও কোনো স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বাধ্য হয়েই সড়কে নামতে হয়েছে বলে জানান তিনি।
পরে দুপুরের দিকে পৌর কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা সাড়ে ১২টার দিকে অবরোধ তুলে নেন। এতে প্রায় দেড় ঘণ্টা পর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
তবে এলাকাবাসীর দাবি, এবার শুধু আশ্বাস নয়, বাস্তব ও স্থায়ী ড্রেনেজ ব্যবস্থার মাধ্যমে এই দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটাতে হবে।
এস.আর

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
জামালপুর পৌর এলাকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানের দাবিতে জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। রোববার (২৪ মে) সকাল ১১টার দিকে পৌরসভার ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কয়েকটি গ্রামের মানুষ সড়কে অবস্থান নিলে ওই মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে দূরপাল্লার বাসসহ অসংখ্য যানবাহন আটকে পড়ে সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট।
স্থানীয়দের অভিযোগ, জঙ্গলপাড়া, দিয়াবাড়ি, দাপুনিয়া, পূর্বপাড়া ও ফুলবাড়িয়া এলাকায় প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ পরিবার গত ১৭–১৮ বছর ধরে সামান্য বৃষ্টিতেই পানিবন্দি হয়ে পড়ছে। দীর্ঘদিন ধরে চলমান এই সমস্যার কোনো কার্যকর সমাধান হয়নি বলে দাবি তাদের।
জলাবদ্ধতার কারণে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে শিক্ষার্থী ও কর্মজীবীরা। অনেক এলাকায় রাস্তাঘাট ডুবে থাকায় চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বাড়িঘর ও ধর্মীয় স্থাপনাতেও পানি ঢুকে পড়ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পাশাপাশি সাপের উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় আতঙ্কে রয়েছেন স্থানীয়রা।
আন্দোলনে অংশ নেওয়া জঙ্গলপাড়ার বাসিন্দা শামীম আহম্মেদ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তারা ভোগান্তি সহ্য করলেও কোনো স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বাধ্য হয়েই সড়কে নামতে হয়েছে বলে জানান তিনি।
পরে দুপুরের দিকে পৌর কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা সাড়ে ১২টার দিকে অবরোধ তুলে নেন। এতে প্রায় দেড় ঘণ্টা পর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
তবে এলাকাবাসীর দাবি, এবার শুধু আশ্বাস নয়, বাস্তব ও স্থায়ী ড্রেনেজ ব্যবস্থার মাধ্যমে এই দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটাতে হবে।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন