ঈদুল আজহা সামনে রেখে ট্রেনের সময়সূচি ঠিক রাখা এবং শিডিউল বিপর্যয় এড়াতে ঢাকাগামী নয়টি আন্তঃনগর ট্রেনের বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রাবিরতি বাতিল করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।
রেলওয়ের ঈদকালীন কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী, ২৫ মে থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত একতা, দ্রুতযান, পঞ্চগড়, নীলসাগর, কুড়িগ্রাম, লালমনি, রংপুর, চিলাহাটি ও বুড়িমারী এক্সপ্রেস ট্রেন ঢাকাগামী পথে বিমানবন্দর স্টেশনে থামবে না।
রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঈদযাত্রায় যাত্রীচাপ বেড়ে যাওয়ায় নির্ধারিত সময়সূচি বজায় রাখাই এখন প্রধান অগ্রাধিকার। এ কারণে ঢাকামুখী ট্রেন চলাচলে গতি ও শৃঙ্খলা ধরে রাখতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এদিকে বিনা টিকিটে যাত্রী নিয়ন্ত্রণে বড় স্টেশনগুলোতে কঠোর নজরদারির ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ঢাকা, বিমানবন্দর, জয়দেবপুর, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, সিলেট, রাজশাহী ও খুলনাসহ গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলোতে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী (আরএনবি), রেলওয়ে পুলিশ (জিআরপি), বিজিবি, র্যাব ও স্থানীয় পুলিশের সমন্বয়ে সার্বক্ষণিক প্রহরার ব্যবস্থা থাকবে।
অন্যদিকে নাশকতা ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা রোধে চলন্ত ট্রেন, স্টেশন ও রেললাইনে নিরাপত্তা তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। রেলওয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত টহল জোরদার করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
এস.আর

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
ঈদুল আজহা সামনে রেখে ট্রেনের সময়সূচি ঠিক রাখা এবং শিডিউল বিপর্যয় এড়াতে ঢাকাগামী নয়টি আন্তঃনগর ট্রেনের বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রাবিরতি বাতিল করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।
রেলওয়ের ঈদকালীন কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী, ২৫ মে থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত একতা, দ্রুতযান, পঞ্চগড়, নীলসাগর, কুড়িগ্রাম, লালমনি, রংপুর, চিলাহাটি ও বুড়িমারী এক্সপ্রেস ট্রেন ঢাকাগামী পথে বিমানবন্দর স্টেশনে থামবে না।
রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঈদযাত্রায় যাত্রীচাপ বেড়ে যাওয়ায় নির্ধারিত সময়সূচি বজায় রাখাই এখন প্রধান অগ্রাধিকার। এ কারণে ঢাকামুখী ট্রেন চলাচলে গতি ও শৃঙ্খলা ধরে রাখতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এদিকে বিনা টিকিটে যাত্রী নিয়ন্ত্রণে বড় স্টেশনগুলোতে কঠোর নজরদারির ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ঢাকা, বিমানবন্দর, জয়দেবপুর, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, সিলেট, রাজশাহী ও খুলনাসহ গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলোতে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী (আরএনবি), রেলওয়ে পুলিশ (জিআরপি), বিজিবি, র্যাব ও স্থানীয় পুলিশের সমন্বয়ে সার্বক্ষণিক প্রহরার ব্যবস্থা থাকবে।
অন্যদিকে নাশকতা ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা রোধে চলন্ত ট্রেন, স্টেশন ও রেললাইনে নিরাপত্তা তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। রেলওয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত টহল জোরদার করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন